টসে জিতে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেয় ব্ল্যাক ক্যাপস। শুরুতে ওপেনার গাপটিলকে হারালেও প্রাথমিক বিপর্যয় সামাল দেয় টম ল্যাথাম ও অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন।
ব্যক্তিগত ১৫ রানে মুস্তাফিজের লেগ স্টাম্পের বাইরের স্লোয়ার বলটি গাপটিল মিস টাইমিং করলে সৌম্য সুযোগটি কাজে লাগান। দ্বিতীয় উইকেটে উইলিয়ামসন ও ল্যাথাম মিলে ৪৮ রানের জুটি গড়েন।
অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন চার হাজারী ক্লাবের নাম লিখিয়ে আরও ১১ রান যোগ করেই সাজঘরের পথ ধরেন। তাসকিনের অফ স্ট্যাম্পের বল খেলতে গিয়ে মুশফিকের তালুবন্দি হন ব্যাক্তিগত ৩১ রানে।
তখনও এক প্রান্তে অবিচল টম ল্যাথাম। তৃতীয় উইকেটে নাইল ব্রুমকে সঙ্গে নিয়ে ৫৫ এবং চতুর্থ উইকেটে জেমস নিশামের সঙ্গে ২৪ রানের জুটি গড়েন টম ল্যাথাম।
পঞ্চম উইকেটেই সবচেয়ে বড় জুটিটা আসে কিউইদের। ল্যাথাম ও কলিন মুনরো মিলে ১৫৮ রানের জুটি গড়েন। জুটি ভাঙেন সাকিব আল হাসান। ৪৭তম ওভারের প্রথম বলেই আউট হযে যেতে পারতেন, কিন্তু মিডউইকেটে মোসাদ্দেক সহজ ক্যাচ মিস করলে অতিরিক্ত আরও চারটি রান হয় কলিনের। এক বল পর অবশ্য তাসকিনের হাতে তালুবন্দি হন সোমবার ক্যারিয়ারের সেরা ইনিংস খেলা কলিন মুনরো।
অবশ্য তার আগেই তাসকিন আহমেদের বলে ছক্কা হাঁকিয়ে ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় সেঞ্চুরি পূরণ করে ফেলেন টম ল্যাথাম।
১০০ বলে ৫টি চার ও তিনটি ছক্কায় তিনি সেঞ্চুরির দেথা পান। শেষ পর্যন্ত মুস্তাফিজের শিকারে পরিণত হন টম ল্যাথাম। ৪৮তম ওভারে মুস্তাফিজের বলে আউট হওয়ার আগে অবশ্য ক্যারিয়ার সেরা ১৩৭ রানের ইনিংস খেলে ফেলেন বাঁহতি এই ওপেনার। মুস্তাফিজের অফ স্ট্যাম্পের বেশ খানিকটা বাইরের বলটি খেলতে গিয়েই মুশফিকের গ্ল্যাভসবন্দি হন টম ল্যাথাম। সাজঘরে ফেরার আগে ১২১ বলে ৭ চার ও ৪ ছয়ে ১৩৭ রানের ইনিংস খেলেন কিউই এই ওপেনার।
বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন সাকিব আল হাসান। ১০ ওভারে ৬৯ রান খরচায় সাকিব তিনটি উইকেট নিয়েছেন। এছাড়া কাটার মাস্টার মুস্তাফিজ ও তাসকিন নিয়েছেন দুটি করে উইকেট নিয়েছেন।
/আরআই/কেআর/