নেলসনে শুক্রবার জুমার নামাজ শেষে হোটেলে ফিরে মুশফিক বলেন, ‘এমআরআই রিপোর্টে আমার গুরুতর সমস্যা পাওয়া যায়নি। আশা করছি টেস্টের আগেই মাঠে ফিরে আসতে পারব। আমি নিজেও আগের চেয়ে অনেক ভালো অনুভব করছি। আপনারা আমার জন্যে দোয়া করবেন।’
শুক্রবার সতীর্থদের সঙ্গে হেঁটেই মুশফিক স্থানীয় একটি মসজিদে যান। আবার সেখান থেকে হেঁটেই হোটেলে ফেরেন। হাঁটাচলায় তাকে স্বাভাবিকই মনে হয়েছে।
উল্লেখ্য ক্রাইস্টচার্চের প্রথম ওয়ানডে ম্যাচের মাঝপথে হ্যামস্ট্রিং ইনজুরির শিকার হয়ে মাঠ ছাড়েন মুশফিক। তার আর মাঠে ফেরা হয়নি।
প্রথমে তাকে ৪৮ ঘন্টার পর্যবেক্ষণে রাখা হয়। বৃহস্পতিবার দ্বিতীয় ওয়ানডে ম্যাচ উপলক্ষে দল যখন নেলসনের স্যাক্সটন ওভালের মাঠে, মুশফিক তখন এমআরআইয়ের জন্যে স্ক্যানিং মেশিনের নিচে। তবে খেলা চলা অবস্থাতেই তার সুসংবাদের খবরটি মাঠের প্রেসবক্সে চলে আসে।
এমআরআই রিপোর্টে বলা হয়েছে মুশফিকের চোট গুরুতর নয়। তার চোটের ধরনকে ‘এ’ ক্যাটাগরির হিসাবে চিহ্নিত করা হয়। ক্রিকেটারদের হ্যামস্ট্রিং চোটের ‘এ’ ক্যাটাগরির শিকার খেলোয়াড়রা সাধারণত দু’সপ্তাহের মধ্যে মাঠে ফিরতে পারেন। মুশফিককে যারা চেনেন জানেন, তাদের ধারণা আরও আগেই তিনি ফিরতে পারবেন। যদি দলের ফিজিওর ছাড়পত্র তিনি পান।
/এফএইচএম/