ওয়াটলিং ও স্যান্টনার ৭৩ রানের জুটি গড়ে শক্ত প্রতিরোধের ইঙ্গিত দিচ্ছিলেন। কিন্তু মাহমুদউল্লাহ তার প্রথম বলেই ভাঙেন এ জুটি। ওয়াটলিংয়ের ব্যাটের কানা ছুঁয়ে বল চলে যায় ইমরুল কায়েসের গ্লাভসে। আম্পায়ার নট আউটের সিদ্ধান্ত জানালেও ডিআরএসে ওয়াটলিংয়ের সাজঘরে যাওয়ার রায় হয়। হাফসেঞ্চুরির জন্য ১ রানের আক্ষেপ নিয়ে মাঠ ছাড়েন ওয়াটলিং (৪৯)। এ ধাক্কা সামলাতে না সামলাতেই নিউজিল্যান্ড হারায় অষ্টম উইকেট। তিনটি বল পরই টিম সাউদিকে (১) এলডবিডব্লিউয়ে সাজঘরে পাঠান মাহমুদউল্লাহ।
দ্বিতীয় সেশনে নিউজিল্যান্ড ঘণ্টাখানেক প্রতিরোধ গড়লেও প্রথম সেশনের শেষদিকে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় বাংলাদেশ। ৮৭ রানের অপরাজিত জুটি গড়ে তৃতীয় দিন শেষ করেছিলেন টম ল্যাথাম ও হেনরি নিকলস। চতুর্থ দিন তারা জুটিটাকে আরও শক্ত করতে থাকেন। তবে সাকিব আল হাসানের কাছে ভাঙে তাদের জুটি। শুধু শতাধিক রানের এ জুটিটিই ভাঙেননি সাকিব, দুজনের উইকেটই গেছে তার বলে। রবিবার লাঞ্চে যাওয়ার আগে কিউইদের তিনটি উইকেট তুলে নিয়েছিল বাংলাদেশ।
সাকিব তার নবম ওভারের তৃতীয় বলে নিকলসকে ক্যাচ বানান মেহেদী হাসান মিরাজের। স্লিপে ক্যাচ তুলে দেন ক্যারিয়ারের তৃতীয় হাফ সেঞ্চুরি করা নিকলস। ৫৩ রানে থামে তার ইনিংস। একই সঙ্গে ভাঙে ১৪২ রানের জুটি। এরপর শুভাশীষ রায়ের প্রথম টেস্ট শিকার হন কলিন ডি গ্রান্ডহোম। নিউজিল্যান্ড হারায় তাদের পঞ্চম উইকেট।
গ্রান্ডহোম খুব বেশিক্ষণ ক্রিজে থাকতে পারেননি। টানা চার ও ছয় মেরে শুভাশীষের বলে ইমরুল কায়েসের হাতে ক্যাচ তুলে দেন তিনি। ১৪ রানে শেষ হয় তার ইনিংস।
কিন্তু ক্যারিয়ার সেরা ইনিংসটাকে লম্বা করতে থাকেন ল্যাথাম। আর বাংলাদেশি বোলাররা ভুগতে থাকে। তবে সাকিবই বড় এ বাধা মাঠ থেকে সরিয়ে দেন। এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলেন ল্যাথামকে। ডাবল সেঞ্চুরি না পাওয়ার আক্ষেপ নিয়ে মাঠ ছাড়েন তিনি। ৩২৯ বলে সাজানো ল্যাথামের ১৭৭ রানের ইনিংস, রয়েছে ১৮টি চার ১টি ছয়।
৩ উইকেটে ২৯২ রানে রবিবার দিন শুরু করেছিল নিউজিল্যান্ড। বাংলাদেশ ৮ উইকেটে ৫৯৫ রানে প্রথম ইনিংস ঘোষণা করেছিল তৃতীয় দিনের প্রথম সেশনে।
/এফএইচএম/