এমনিতেই পি সারা ওভালের উইকেটে পেসারদের রাজত্ব চলে। দিন যত গড়াতে থাকে ততোই উইকেটে স্পিন ধরতে থাকে। চতুর্থ ইনিংসে এখানে ব্যাট করা তাই অনেক কঠিন। সেক্ষেত্রে টস জেতাটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বিষয়টি মুশফিকও জানেন। কিন্তু টসের উপর কোনও হাত নেই বলে সামর্থ্য অনুযায়ী খেলবেন বললেন তিনি, ‘টস তো সব সময় বড় একটা বিষয়। বিশেষ করে উপমহাদেশে। কিন্তু এখানে কারও হাত নেই। চেষ্টা থাকবে ব্যাটিং-বোলিং যেটাই আগে পাই যেন সামর্থ্য অনুযায়ী খেলতে পারি। এখানে পাঁচদিন খেলতে হবে। আমরা চেষ্টা করব পাঁচদিন ধারাবাহিকভাবে ভালো খেলতে।’
এই মাঠে বাংলাদেশের রেকর্ড ভালো নয়। তিনটি টেস্টের সবগুলোতেই ইনিংস ব্যবধানে হেরেছে বাংলাদেশ। পুরনো পরিসংখ্যান কতটা হতাশ করছে জানতে চাইলে মুশফিক বলেছেন, ‘রেকর্ড আসলে ভালো-মন্দ সবই থাকে। যেখানে শেষ টেস্টটা হারলাম সেখানে কিন্তু একটা টেস্ট ড্র করার স্মৃতি ছিল। তারপরও এতো বাজেভাবে যে হারব, এটা কখনো চিন্তা করিনি। আমাদের আসলে নতুন করে শুরু করতে হয়। এখানে আগে যখন খেলেছিলাম, হেরাথ ছাড়া কেউ ছিল না। এখন আমাদের কাছে লঙ্কান বোলিং লাইনটা একটু চেনা হয়েছে। আমরা যদি মৌলিক ব্যাপারগুলো ঠিকঠাকভাবে খেলতে পারি, তাহলে ফলাফল আশা করি আমাদের পক্ষেই থাকবে।’
শততম ম্যাচে গলের স্মৃতি কাটিয়ে উঠে প্রতিটি সুযোগ গ্রহণ করতে চান মুশফিক, ‘প্রত্যেকটা ম্যাচেই আমরা চাই ব্যাটিং-বোলিং-ফিল্ডিংয়ে উন্নতি করতে। গলে আমরা আমাদের সামর্থ্যের অর্ধেকও খেলতে পারিনি। এটা খুবই হতাশার ছিল। আমরাই এই জন্য দায়ি। যেভাবে হোক, আমরা সামনের ফলটা আমাদের পক্ষে আনতে পারি। কারণ এটা বাংলাদেশের জন্য খুবই ভালো সময়। প্রতিটি সুযোগ আমরা গ্রহণ করতে চাই।’
/আরআই/এফএইচএম/