সৌম্য সরকার ও মুশফিকুর রহিমের পর ইনিংসের তৃতীয় হাফসেঞ্চুরি করেন সাকিব আল হাসান। আর এ গুরুত্বপূর্ণ ইনিংসগুলোয় ভর করে শ্রীলঙ্কাকে প্রথম ইনিংসে ২৫ রানে পেছনে রেখেছে বাংলাদেশ।
১০০ ওভারে ৬ উইকেটে ৩৬৩ রান করেছে বাংলাদেশ। তৃতীয় দিন প্রথম সেশনে বেশ সন্তোষজনক ব্যাটিং করে বাংলাদেশ, ২৮ ওভারে মাত্র ১ উইকেট হারিয়ে ১০২ রান যোগ হয়। ২২ রানে পিছিয়ে থেকে লাঞ্চে যায় সফরকারীরা। ফিরে এসে সাকিব ও মোসাদ্দেকের জুটিতে লিড নেয় মুশফিক বাহিনী।
৭১ রানে অপরাজিত সাকিবকে সঙ্গ দিচ্ছেন মোসাদ্দেক হোসেন। টেস্ট ক্যারিয়ারের প্রথম ম্যাচে সুরাঙ্গা লাকমলকে চার মেরে দলকে এগিয়ে দেন তিনি। ৪৪ রানে অপরাজিত এ ব্যাটসম্যান।
শ্রীলঙ্কার ৩৩৮ রানের জবাব দিতে নেমে দ্বিতীয় দিন দারুণ শুরু করেছিল বাংলাদেশ। কিন্তু শেষ সেশনে মাত্র ৬ রানের ব্যবধানে তিন উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে তারা। সেই বিপদ থেকে তৃতীয় দিন দলকে টেনে তুলেছেন অধিনায়ক মুশফিক ও সাকিব। শতাধিক রানের জুটি গড়ার পথে ছিলেন তারা। কিন্তু মুশফিক আউট হওয়ায় সেটা আর হয়নি।
শতক ছুঁই ছুঁই জুটি গড়ার পথে মুশফিক ক্যারিয়ারের ১৭তম ফিফটি পান। ৬৬তম বলে একটি বাউন্ডারি মেরে পঞ্চাশ ছোঁন অধিনায়ক। এর পর আর দুটি রান যোগ করেই সুরাঙ্গা লাকমলের বলে বোল্ড হন মুশফিক (৫২)। তার ইনিংস সাজানো ৮১ বলে ৬টি চারে। সাকিবের সঙ্গে তার জুটিটি ছিল ৯২ রানের।
মুশফিক মাঠ থেকে চলে যাওয়ার কিছুক্ষণ পর সাকিব ক্যারিয়ারের ২২তম ফিফটি পান। ৬৯ বলে হাফসেঞ্চুরি করেন এ অলরাউন্ডার।
মূলত মুশফিক ও সাকিবের ব্যাটেই স্বস্তিতে ফিরেছে বাংলাদেশ। ১৯৮ রানের মধ্যে ৫ উইকেট হারিয়েছিল তারা। শুক্রবার ৫ উইকেটে ২১৪ রানে তৃতীয় দিনের খেলা শুরু করে সফরকারীরা। প্রথম সেশন শেষে স্কোরবোর্ড বলছে, দুই অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যানের নৈপুণ্যে কিছুটা হলেও চাপ কমেছে।
এর আগে দ্বিতীয় দিন দ্বিতীয় সেশনে শ্রীলঙ্কাকে জবাব দিতে গিয়ে দারুণ শুরু করেছিল বাংলাদেশ। তামিম ইকবাল ও সৌম্য সরকারের ব্যাটে বেশ স্বতঃস্ফূর্ত মনে হয়েছিল তাদের। শ্রীলঙ্কার তিনশতাধিক রানের জবাবে শতরানের জুটি গড়ার পথে ছিলেন তারা। কিন্তু হয়নি। বরং দিন শেষে উল্টো হতাশার গ্লানি নিয়ে মাঠ ছাড়ে সফরকারীরা।
মাত্র ৬ রান যোগ করতেই ইমরুল কায়েস, তাইজুল ইসলাম ও সাব্বির রহমানের আউটে ভুগতে হয়েছে বাংলাদেশকে। শেষ সেশনে দ্রুত তিন উইকেট পড়ে যাওয়ায় আশার আলো নিভু নিভু হতে শুরু করেছে। কিন্তু সব হতাশা কেটে গেছে সাকিব ও মুশফিকের ব্যাটে।
/এফএইচএম/