স্বস্তি ফিরিয়ে আউট মাহমুদউল্লাহ

মাহমুদউল্লাহকিছু বুঝে উঠার আগেই উইকেট হারায় বাংলাদেশ। এর পর সৌম্য সরকার ও সাব্বির রহমানের ব্যাটে ফিরেছিল স্বস্তি। কিন্তু দুজনই বিদায় নিলেন একই ওভারে। দুই ওভার বিরতি দিয়ে আউট হন মুশফিকুর রহিম। কয়েক বল পরে অন্য চারজনের মতো সাজঘরে পথ ধরেন সাকিব আল হাসান। শুরুর বিপদটা আবারও চড়ে বসতে থাকে বাংলাদেশের ঘাঁড়ে। তবে মোসাদ্দেক হোসেন ও মাহমুদউল্লাহর ব্যাটে সামলে উঠছিল সফরকারীরা। কিন্তু মাহমুদউল্লাহকে বোল্ড করে লাসিথ মালিঙ্গা ভাঙেন ৫৭ রানের জুটি। ১৮.১ ওভারে ৬ উইকেটে ১৪২ রান করেছে বাংলাদেশ। 

দুই ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে বাংলাদেশ টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু বাধ সাধে বৃষ্টি। প্রায় পৌনে এক ঘণ্টা বৃষ্টিতে বন্ধ ছিল খেলা। সাড়ে ৭টার খেলা শুরু হয় সোয়া ৮টার দিকে। বল করেন লাসিথ মালিঙ্গা। এ পেসারের দুরন্ত গতির কাছে দ্বিতীয় বলেই বোল্ড হন তামিম ইকবাল। দুই বল খেলে রানের খাতা না খুলে আউট হন বাংলাদেশের ভরসার প্রতীক। 

অবশ্য সাব্বির ও সৌম্যের ব্যাটে প্রথম ওভারের ধাক্কা ভালোভাবে কাটিয়ে উঠতে থাকে বাংলাদেশ। সৌম্য ও সাব্বির বুঝেশুনে খেলতে থাকেন। ৫ ওভারে তারা তোলেন ৫৭ রান। কিন্তু ষষ্ঠ ওভারে ভিকুম সঞ্জায়া বল হাতে নিতেই বাধে বিপত্তি। ওই ওভারের প্রথম বলে দৌড়ে একটি রান নিতে গিয়ে নন স্ট্রাইকিং প্রান্তে রান আউট হন সাব্বির। সেকুগে প্রসন্নের সরাসরি থ্রোতে থামে সাব্বিরের ১৬ রানের ইনিংস। ওই ওভারের পঞ্চম বলে ক্যাচ হন সৌম্য (২৯)।  আকাশ ছোঁয়া তার শটটি লং অনে থিসারা পেরেরার মুঠোয় ধরা পড়ে। সুইপ করতে গিয়ে আসেলা গুনারত্নের বলটি ব্যাট লাগাতে পারেননি মুশফিক, ভেঙে যায় স্টাম্প। মাত্র ৯ বলে ৮ রান করেন তিনি। সেকুগের বলে কভারে মারতে চেয়েছিলেন সাকিব, কিন্তু শটে জোর ছিল না বলে পয়েন্টে গুনারত্নের ক্যাচ হন তিনি। মাত্র ১১ রানে আউট হন বাঁহাতি অলরাউন্ডার। ১১.১ ওভারে ৮২ রানে ৫ উইকেট হারানোর পর মোসাদ্দেক ও মাহমুদউল্লাহর জুটি প্রতিরোধ গড়ে। কিন্তু মাহমুদউল্লাহর ২৬ বলে ৩ চারে সাজানো ৩১ রানের ইনিংস থামে মালিঙ্গার শেষ ওভারে।

বাংলাদেশ দল: তামিম ইকবাল, সৌম্য সরকার, সাব্বির রহমান, মুশফিকুর রহিম, সাকিব আল হাসান, মোসাদ্দেক হোসেন, মাহমুদউল্লাহ, মাশরাফি মর্তুজা, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, মুস্তাফিজুর রহমান ও তাসকিন আহমেদ।

/এফএইচএম/