বাজেট পূর্ব আলোচনায় মোবাইল অপারেটরদের ১৬ দফা

দেশের মোবাইল অপারেটরের প্রতিনিধিরা রবিবার (১২ মার্চ) জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সংগে বাজেটপূর্ব সভা করেছেন। সভায় মোবাইল অপারেটরগুলোর সংগঠন এমটবের প্রতিনিধিরা টেলিকম সংক্রান্ত আয়কর, মূল্য সংযোজন কর, আমদানি শুল্ক ও সম্পূরক শুল্ক বিষয়ে ১৬ দফা প্রস্তাবনা তুলে ধরেন।  

এ প্রসঙ্গে সংগঠনের মহাসচিব ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এস এম ফরহাদ বলেন, বাংলাদেশে যে কয়টি খাত সরকারকে সবচেয়ে বেশি রাজস্ব প্রদান করে তারমধ্যে মোবাইল খাত অন্যতম। মানুষের টেলিযোগাযোগ এবং ইন্টারনেট প্রাপ্তির প্রধান উৎস থেকে শুরু করে ব্যাংকিং, মোবাইল মানি, রাইড শেয়ারিং, ই-কমার্স, শিক্ষা, কিংবা ই-কুরিয়ারসহ সব খাতই প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে মোবাইলের উপর নির্ভরশীল। তারপরও দেখা যায় যে সরকার এই খাতে প্রতিবছর নতুন করে করারোপ করছে। মোবাইল খাতের কর ব্যবস্থাকে যৌক্তিকভাবে বিবেচনা করে এই খাতের প্রবৃদ্ধিকে উৎসাহিত করা না হলে তার প্রভাব আর সব খাতের উপর পড়বে।

তিনি আরও বলেন, আমরা সরকারের কাছে বিনীত অনুরোধ জানাই যেন আমাদের উত্থাপিত প্রস্তাবগুলো বিবেচনা করা হয়। মোবাইল সেবাদাতাদের প্রবৃদ্ধি যত বাড়বে গ্রাহকরা তত উৎকৃষ্টমানের সেবা পাবে এবং সরকার বেশি বেশি করে রাজস্ব পাবে।

এমটব উত্থাপিত প্রস্তাবনার মধ্যে রয়েছে- ন্যূনতম কর অপসারণ বা হ্রাস, করপোরেট করের উচ্চ হার হ্রাস, ন্যূনতম কর সমন্বয় করা এবং অসমন্বয়কৃত অঙ্ক জের হিসাবে টানা, ক্যাপিটাল অ্যালাউন্স বা অবচয় ভাতা সমন্বয়, দ্বৈত কর পরিহার চুক্তি (ডিটিএএ) বাস্তবায়ন, ই-সিমসহ সব সিম সরবরাহের ওপর ভ্যাট অপসারণ, সরকারি নিয়ন্ত্রক সংস্থার ভ্যাট অপসারণ, সরকারি, আধা-সরকারি ও নিয়ন্ত্রক সংস্থার ভ্যাট নিবন্ধন, টেলিকম মেশিনরি, ইকুইপমেন্ট ও সফটওয়ারের জন্য পৃথক এইচএস কোডের সুপারিশ।