বাংলাদেশের প্রথম ভৌগলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্য হিসেবে নিবন্ধন পাচ্ছে জামদানি। চলতি অক্টোবরের মধ্যেই এটি নিবন্ধিত হবে। বিসিকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্ক অধিদফতর (ডিপিডিটি) জামদানিকে এ নিবন্ধন দেবে। বিশ্ব মেধাসম্পদ সংস্থার ৫৬তম বার্ষিক সম্মেলনে বক্তৃতাকালে শিল্প মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া এ তথ্য তুলে ধরেন।
গত ০৪ অক্টোবর জেনেভায় অবস্থিত ডব্লিউআইপিও-এর সদর দফতরে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে বিশ্ব মেধাসম্পদ সংস্থার মহাপরিচালক ফ্রান্সিস গারি, এশিয়া প্যাসিফিক গ্রুপের প্রতিনিধি হিসেবে ভারতসহ সংস্থার সদস্যভুক্ত দেশের উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তারা বক্তব্য রাখেন।
শিল্প মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা আবদুল জলিল স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
শিল্প মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব বলেন, জ্ঞানভিত্তিক শিল্পায়নের লক্ষ্য অর্জনে বাংলাদেশ সরকার মেধাসম্পদের সুরক্ষার প্রতি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। ভৌগলিক নির্দেশক বা জিআই পণ্যের নিবন্ধন দিতে বাংলাদেশ সরকার ইতোমধ্যে জিআই আইন ও বিধিমালা প্রণয়ন করেছে। নাগরিকদের সৃজনশীল উদ্ভাবনের মালিকানা সুরক্ষায় বিদ্যমান মেধাসম্পদ আইন ও বিধিমালার সংশোধন করা হচ্ছে বলে তিনি জানান।
মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া বলেন, মেধাসম্পদের সংরক্ষণ, উন্নয়ন ও নিবন্ধনের লক্ষ্যে বাংলাদেশ ইতোমধ্যে বিশ্ব মেধাসম্পদ সংস্থার সহায়তায় ইন্ডাস্ট্রিয়াল প্রোপারটি রাইটস্ প্রজেক্ট বাস্তবায়ন করেছে। এর মাধ্যমে পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস্ অধিদফতরে কার্যক্রম আধুনিকায়ন করা হয়েছে। তিনি বাংলাদেশের মেধাসম্পদের অধিকার সংরক্ষণ ও উন্নয়নে বিশ্ব মেধাসম্পদ সংস্থার ভূমিকার প্রশংসা করেন। বাংলাদেশ সরকার সৃজনশীল উদ্ভাবন, আইপি অফিসের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং জনগণকে মেধাসম্পদের স্বত্ব সম্পর্কিত সেবা দেওয়ার জন্য ডব্লিউআইপিওয়ে সঙ্গে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে কাজ করছে বলে তিনি জানান।
উল্লেখ্য, সম্মেলনে শিল্প মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব দুই সদস্যের বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন। তিনি এলডিসি গ্রুপের পক্ষে বক্তব্য তুলে ধরেন। পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস্ অধিদফতরের রেজিস্ট্রার মো. সানোয়ার হোসেন প্রতিনিধিদলে সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।
/এসআই/এমএনএইচ/








