প্রবৃদ্ধির ধারা বজায় রেখে অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের মাধ্যমে লক্ষ্য অর্জন সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর চিমিয়াও ফান। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের দারিদ্র্য বিমোচনে সাফল্য প্রশংসনীয়। দারিদ্র্যসীমার নিচে থাকা ২ কোটি ৮০ লাখ মানুষকে সীমার বাইরে নিয়ে আসা বড় চ্যালেঞ্জ। বৃহস্পতিবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের (জিইডি) সহায়তায় বিশ্বব্যাংকের প্রণীত প্রতিবেদন ‘বাংলাদেশ স্যোসাল প্রোটেকশন অ্যান্ড লেবার রিভিউ: টুওয়ার্ডস স্মার্ট স্যোসাল প্রোটেকশন অ্যান্ড জবস ফর দ্য পুওর’ প্রকাশ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের সদস্য ড. শামসুল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে এ প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়।
প্রতিবেদনের বলা হয়, বাংলাদেশে দারিদ্র্যের ব্যাপক বিস্তার, বেকার যুবকদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা, শ্রমবাজারে লিঙ্গবৈষম্য দূর করা এবং নতুন শ্রম অভিবাসন খুঁজে বের করা—এই চারটি বিষয়ই বর্তমানে বাংলাদেশের সামাজিক নিরাপত্তা এবং শ্রম খাতের প্রকৃত চ্যালেঞ্জ।
বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদনে বলা হয়, ক্ষুদ্র ঋণের পরিচালন ব্যয় ও সুদের হার এখনও অনেক বেশি। বর্তমানে এই সুদের হার সর্বোচ্চ ২৭ শতাংশ। যা দীর্ঘ মেয়াদে সুফল পাওয়ার ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধক। বর্তমানে সরকারি কর্মচারীরাই কেবল পেনশন সুবিধা পাচ্ছেন, অন্য কোন খাতে এই সুবিধা নেই। তাই বেসরকারি খাতের জন্য পেনশন সুবিধা চালু করার কথাও উল্লেখ রয়েছে প্রতিবেদনে। সামাজিক বীমা, সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী, ক্ষুদ্র ঋণ এবং শ্রমবাজার কর্মসূচিতে অনেক কিছু অর্জনের সুযোগ রয়েছে, যদিও বাংলাদেশ দারিদ্র্য বিমোচনে সাফল্য রয়েছে।
অনুষ্ঠানে পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল, পিপিআরসি নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. হোসেন জিল্লুর রহমান এবং বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের পরিচালক (গবেষণা) ড. রুশিদান ইসলাম রহমান উপস্থিত ছিলেন।
/এসআই/এমএনএইচ/








