বাংলাদেশ ২০২১ সালের মধ্যে ৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের তৈরি পোশাক রফতানির জন্য আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ। তিনি বলেন, ‘বিপুল পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগ করে দেশের তৈরি পোশাক কারখানাগুলোকে গ্রিন ফ্যাক্টরিতে রূপান্তর করা হচ্ছে। বেশকিছু কারখানা ইতোমধ্যে রূপান্তর করা হয়েছে।’ শনিবার (৩০ সেপ্টেম্ব) ঢাকার একটি হোটেলে ইন্টারন্যাশনাল ফাইনান্স করপোরেশন (আইএফসি) আয়োজিত ‘টুওয়ার্ডস সাসটেইনেবল টেক্সটাইল’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা আব্দুল লতিফ বকসী সাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘সরকার গ্রিন ফ্যাক্টরি নির্মাণের জন্য ব্যবসায়ীদের আর্থিক সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে। এক্ষেত্রে ট্যাক্স ৩৫ ভাগ থেকে কমিয়ে ১০ ভাগ নির্ধাণ করা হয়েছে। দেশে মোট ২০৮টি তৈরি পোশাক কারাখানাকে পর্যায়ক্রমে গ্রিন ফ্যাক্টরি করা হচ্ছে। রানা প্লাজায় দুর্ঘটনার পর দেশের পোশোক কালখানাগুলোকে নিরাপদ ও কর্মবান্ধব করা হয়েছে। নিরাপদ বিল্ডিং ও ফাযার সেফটি নিশ্চিত করা হয়েছে। দেশে একেরপর এক গ্রিন ফ্যাক্টরি নির্মাণ করা হচ্ছে। এরপরও ক্রেতারা পণ্যের মূল্য বাড়াচ্ছেন না। তৈরি পোশাকের মূল্য বাড়ানো প্রয়োজন। ক্রেতাদের এ বিষয়ে যথাযথ উদ্যোগ নেওয়া উচিত। শ্রমিকদের নিরাপত্তা, সুযোগ-সুবিধা ও উপযুক্ত বেতন নিশ্চিত করা হয়েছে।’
তোফায়েল আহমেদ বলেন, ‘বাংলাদেশ গত অর্থবছরে প্রায় ৩৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের পণ্য ও ৩ বিলিযন মার্কিন ডলার মূল্যের সেবা রফতানি করেছে। এর মধ্যে প্রায় ২৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার এসেছে তৈরি পোশাক রফতানি করে। এ শিল্পে প্রায় ৪৫ লাখ শ্রমিক কাজ করছেন। এর ৮০ ভাগই নারী। কারখানার শ্রমিকদের কাজের পরিবেশ ও উপযুক্ত বেতন ও ভাতা নিশ্চিত করা হয়েছে।’
ইন্টারন্যাশনাল ফাইনান্স করপোরেশন-এর কান্ট্রি ম্যানেজার মিসেস ওয়েন্ডি ওয়েরনারের সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিজিএমইএর প্রেসিডেন্ট মো. সিদ্দিকুর রহমান ও আইএফসির উচ্চপদস্থ র্কমকর্তারা। অনুষ্ঠানে দ্বিতীয় পর্যায়ে সহায়তার জন্য পার্টনারশিপ ফর ক্লিনার টেক্সটাইল (প্যাক্টে) এবং বিজিএমই-এর মধ্যে একটি এমওইউ স্বাক্ষরিত হয়।








