সীমা অতিক্রম করে ঋণ বিতরণ অব্যাহত রাখায় বেসরকারি খাতের দু’টি ব্যাংকের ৭৬ কোটি টাকা আটকে দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর মধ্যে ওয়ান ব্যাংকের ৫১ কোটি ও প্রিমিয়ার ব্যাংকের ২৫ কোটি টাকা। বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আগ্রাসী ব্যাংকিং বন্ধে কেন্দ্রীয় ব্যাংক কঠোর অবস্থানে রয়েছে। এরই অংশ হিসাবে মঙ্গলবার দু’টি ব্যাংকের বেশ কিছু টাকা আটকে দেওয়া হয়েছে।’ আগ্রাসী ব্যাংকিং করায় আরও কয়েকটি ব্যাংকের বিরুদ্ধে একই ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
জানা গেছে, ব্যাংকগুলোতে নতুন করে যে পরিমাণ আমানত আসছে, কয়েকটি ব্যাংক তার দ্বিগুণ ঋণ বিতরণ করছে। ফলে ওই ব্যাংকগুলোতে ঋণ আমানত অনুপাতের সীমা অতিক্রম করেছে। এভাবে আগ্রাসী ব্যাংকিং করায় গ্রাহকদের আমানত ঝুঁকিতে পড়ছে।
সূত্র জানায়, প্রচলিত ধারার ব্যাংকগুলোর তার আমানতের ৮৫ শতাংশ পর্যন্ত ঋণ বিতরণ করতে পারে। ইসলামি ধারার ব্যাংকগুলোর জন্য যা ৯০ শতাংশ। তবে বেসরকারি খাতের ৮টি ব্যাংক সেই ধারা লঙ্ঘণ করে ঋণ বিতরণ অব্যাহত রাখছে। তাদের কয়েক দফায় সতর্ক করার পরও ব্যাংকগুলো সীমার মধ্যে আসেনি। এমন পরিস্থিতিতে মঙ্গলবার বাংলাদেশ ব্যাংকে রক্ষিত প্রিমিয়ার ব্যাংকের হিসাব থেকে ২৫ কোটি ও ওয়ান ব্যাংকের হিসাব থেকে ৫১ কোটি টাকা আটকে রাখে বাংলাদেশ ব্যাংক।
এর আগে সমঝোতা স্মারকের (এমওইউ) চুক্তির শর্ত না মানায় জনতা ব্যাংকের ৪১৮ কোটি টাকা আটকে রেখেছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। চুক্তির তুলনায় অতিরিক্ত ঋণ বিতরণ করেছিল ব্যাংকটি।








