ব্যাংকের ঋণ ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা,বৈদেশিক মুদ্রা,বাজার ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা,আর্থিক অন্তর্ভুক্তি এবং মূলধন ব্যবস্থাপনার গুরুত্বারোপ করেন ব্যাংক সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা। এসময় মানবসম্পদ উন্নয়নে ব্যাংকগুলোর যথেষ্ট বিনিয়োগ করা প্রয়োজন বলেও মত দেন তারা। প্রথমবারের মতো রবি ও সোমবার (৪-৫ মার্চ) বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্ট (বিআইবিএম) আয়োজিত দুই দিনব্যাপী আঞ্চলিক ব্যাংকিং সম্মেলনে এ গুরুত্বারোপ করা হয়।
রাজধানীর মিরপুরের বিআইবিএম সেমিনার হলে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় দিনের সেমিনারে দুইটি অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়। দিনের প্রথম অধিবেশনে দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশ থেকে আগত বিশেষজ্ঞরা ব্যাংকের বিভিন্ন কার্যক্রমের ওপর তাদের প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।
অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর এবং বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল আর্বিট্রেশন সেন্টারের প্রধান নির্বাহী এ রুমী আলী।
এ সময় বিশেষজ্ঞরা ব্যাংকের ঋণ ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা, বৈদেশিক মুদ্রা, বাজার ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা, আর্থিক অন্তর্ভুক্তি এবং মূলধন ব্যবস্থাপনার ওপর প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।
‘দক্ষিণ এশিয়ার ব্যাংকিং খাতের মানব সম্পদ উন্নয়ন’ শীর্ষক দ্বিতীয় অধিবেশনটি সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং খাত সংস্কার বিষয়ক উপদেষ্টা এবং সাবেক ডেপুটি গভর্নর এস কে সুর চৌধুরী।
বিআইবিএমের মহাপরিচালক ড.তৌফিক আহমদ চৌধূরী ভারতের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্টের (এনআইবিএম) পরিচালক ড. কে. এল. ধিঙ্গারা, নেপালের ন্যাশনাল ব্যাংকিং ইনস্টিটিউটের (এনবিআই) প্রধান নির্বাহী সানজিত সুব্বা, ভুটানের ফাইন্যান্সিয়াল ইনস্টিটিউশন ট্রেনিং ইনস্টিটিউটের (এফআইটিআই) প্রধান মানব সম্পদ কর্মকর্তা পিনজোর জিলিটসন,কমার্শিয়াল ব্যাংক অব সিলনের কান্ট্রি ম্যানেজার ভারুনা প্রিয়শান্তা কোলামুন্না দ্বিতীয় অধিবেশনের আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন।
আলোচকরা ব্যাংকিং খাতের মানব সম্পদ উন্নয়নের ওপর অত্যন্ত গুরুত্ব আরোপ করেন। তারা এ মত প্রকাশ করেন যে, মানবসম্পদ উন্নয়নের জন্য ব্যাংকগুলোর যথেষ্ট পরিমাণ বিনিয়োগ করা প্রয়োজন।
আলোচকরা আরও গুরুত্বারোপ করেন যে, ব্যাংকগুলো শুধুমাত্র মুনাফাকেন্দ্রিক ব্যবস্যা না করে কীভাবে দক্ষ জনশক্তি গড়া যায় সে বিষয়ে মনোনিবেশ করা উচিত। কেননা মানবসম্পদ উন্নয়নের ওপরই প্রতিষ্ঠানগুলোর দীর্ঘস্থায়িত্ব নির্ভর করছে।








