পুঁজিবাজারে ইনসাইডার ট্রেডিং ও মার্কেট ম্যানুপুলেশনের মাধ্যমে কালো টাকা সাদা করে তা যেন অন্য খাতে ব্যবহৃত হতে না পারে সে জন্য মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ পরিপালন কর্মকর্তাদের (‘ক্যামেলকো’) সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান ড. এম. খায়রুল হোসেন। সম্প্রতি রাজধানীর একটি হোটেলে বাংলাদেশ ফিইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট ও বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ‘ক্যামেলকো’ সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই পরামর্শ দেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অথিতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর ও বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)-এর প্রধান আবু হেনা মোহা. রাজী হাসান, বিএসইসির কমিশনার মো. আমজাদ হোসেন ও ড. স্বপন কুমার বালা। এতে সভাপতিত্ব করেন বিএফআইইউ’র ডেপুটি হেড মোহাম্মদ মিজানুর রহমান জোদ্দার। সম্মেলনে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিএসইসি-র নির্বাহী পরিচালক রুকসানা চৌধুরী ও বিএফআইইউ-এর অপারেশনাল হেড মো. জাকির হোসেন চৌধুরী।
ড. এম. খায়রুল হোসেন বলেন, ‘মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন পুঁজিবাজারের জন্য অন্তরায় নয়। পুঁজিবাজার যদি সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বা সন্ত্রাসে অর্থায়ন বা অপরাধলব্ধ অর্থ বৈধ করার প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ব্যবহৃত হয়, তবে বিশ্বের কোনও দেশ সাহায্যের হাত নিয়ে এগিয়ে আসবে না।’ তিনি উল্লেখ করেন, ‘পুঁজিবাজারে ঝুঁকি ও আয় বেশি থাকায় ক্যাপিটাল মার্কেট ব্যবহার করে ইনসাইডার ট্রেডিং ও মার্কেট ম্যানুপুলেশনের মাধ্যমে কালো টাকা সাদা করে তা যেন অন্য খাতে ব্যবহৃত হতে না পারে।’
আবু হেনা মোহা. রাজী হাসান বলেন, ‘বিএসইসি ইন্টারন্যাশনাল অরগানাইজেশন অব সিকিউরিটিজ কমিশনের ‘এ’ ক্যাটাগরির সদস্য হওয়ায় পুঁজিবাজারের নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন বিষয়ক ঝুঁকি প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। এছাড়া এ ধরনের অপরাধ প্রতিরোধে নজরদারি অব্যাহত রাখতে হবে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সবার জন্য প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে।’








