ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, ‘ওয়ালটন শুধু ল্যাপটপ ও কম্পিউটার উৎপাদনই করছে না বরং রফতানিও করছে। যা ডিজিটাল বাংলাদেশের রূপকার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বপ্নের বাস্তবায়ন। ওয়ালটন তাদের ডিজিটাল ডিভাইসে পাইরেটেড সফটওয়্যার না দিয়ে মাইক্রোসফটের অরিজিনাল সফটওয়্যার দিচ্ছে। এর মাধ্যমে ওয়ালটন অন্যদের পথ দেখাচ্ছে।’
সোমবার (৭ মে ২০১৮) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের সম্মেলন কক্ষে ওয়ালটনের মাইক্রোসফটের সঙ্গে পার্টনারশিপ চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই কথা বলেন।
তথ্যপ্রযুক্তি ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতা প্রদানের উদ্দেশে ওয়ালটন এবং মাইক্রোসফট ব্যবসায়িক চুক্তি স্বাক্ষর করে। এই চুক্তির ফলে গ্রাহকরা ওয়ালটনের কম্পিউটার ও ল্যাপটপে সাশ্রয়ী মূল্যে অরিজিনাল উইনডোজ ব্যবহার করতে পারবেন। ওয়ালটনের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালক ও কম্পিউটার প্রজেক্ট ইনচার্জ ইঞ্জিনিয়ার লিয়াকত আলী। মাইক্রোসফটের পক্ষে ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের জেনারেল ম্যানেজার অ্যান ল্যাপেসিয়ের।
ওয়ালটনের সঙ্গে মাইক্রোসফটের পার্টনারশিপ চুক্তিকে বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তির খাতের একটি স্মরণীয় দিন হিসেবে অভিহিত করে মোস্তাফা জব্বার বলেন, বাংলাদেশের কোনও প্রতিষ্ঠান ডিজিটাল ডিভাইস উৎপাদন করতে পারে এবং আসল সফটওয়্যার দিতে পারে, এটি কারো কল্পনায় ছিল না। কিন্তু ওয়ালটন সেটা সম্ভব করেছে।
‘সাইনিং প্রোগ্রাম অব নেমড পার্টনারশিপ বিটুইন ওয়ালটন অ্যান্ড মাইক্রোসফট’শীর্ষক ওই অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি ছিলেন স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতরের সিনিয়র সচিব জাফর আহমেদ খান, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব সুবির কিশোর চৌধুরী, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব সাইফুল ইসলাম, ওয়ালটন ডিজি-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের চেয়ারম্যান এসএম রেজাউল আলম, ওয়ালটন বিপণন বিভাগের প্রধান সমন্বয়ক ইভা রিজওয়ানা এবং মাইক্রোসফট বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সোনিয়া বশির কবির।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটনের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর এসএম জাহিদ হাসান ও হুমায়ূন কবির, ডেপুটি এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর উদয় হাকিম, অপারেটিভ ডিরেক্টর শাহজাদা সেলিম, ফার্স্ট সিনিয়র অ্যাডিশনাল ডিরেক্টর ফিরোজ আলম এবং সিনিয়র অ্যাডিশনাল ডিরেক্টর কাজী জাহিদ হাসান।








