বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, জাপানের ওসাকা রাজ্যের টেক্সটাইল ব্যবসায়ীরা বেশ দক্ষ। ওসাকার টেক্সটাইল খাতের বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশে বিনিয়োগ করলে অধিক লাভবান হবেন। বাংলাদেশে টেক্সটাইল সেক্টরে অনেক শিক্ষিত, দক্ষ ও সহজলভ্য জনবল রয়েছে। বিনিয়োগের জন্য সব সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা হয়েছে।
জাপান সফররত বাণিজ্যমন্ত্রী বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) জাপানের ওসাকা রাজ্যের গভর্নর ইচহিরো মাতসুইয়ের সঙ্গে একান্ত বৈঠকে এসব কথা বলেন। বাণিজ্যমন্ত্রী ওসাকার গভর্নরকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অসমাপ্ত আত্মজীবনীর জাপানি ভাষায় অনুবাদ করা একটি কপি হস্তান্তর করেন।
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ সরকার বিদেশি বিনিয়োগের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ ও বিশেষ সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে বাংলাদেশের বিভিন্ন উপযুক্ত এলাকায় ১০০টি স্পেশাল ইকোনমিক জোন গড়ে তোলা হচ্ছে। আগ্রহী দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের এসব ইকোনমিক জোন বরাদ্দ প্রদান করা হচ্ছে। বিদেশি বিনিয়োগকারীরা এখন বাংলাদেশে শতভাগ শিল্পে বিনিয়োগ করতে পারবেন। বিনিয়োগকারীরা যেকোনও সময় লাভসহ বিনিয়োগকৃত অর্থ ফিরিয়ে নিতে পারবেন। বাংলাদেশ সরকার আইন প্রণয়ন করে বিনিযোগকারীদের স্বার্থ সুরক্ষা করেছে। আমরা জানি জাপানের ওসাকা নগরীতে অনেক ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প রয়েছে। ওসাকার ব্যবসায়ীরা বাংলাদেশে বিনিয়োগ করলে লাভবান হবেন।’
বাণিজ্যমন্ত্রী ওসাকার গভর্নরকে সেখানকার টেক্সটাইল সেক্টরের বিনিয়োগকারীদের নিয়ে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানালে গভর্নর ইচহিরো মাতসুই ওসাকার টেক্সটাইল ব্যবসায়ীদের নিয়ে বাংলাদেশ সফরের আগ্রহ প্রকাশ করেন। সুবিধাজনক সময়ে গভর্নর ব্যবসায়ীদের নিয়ে বাংলাদেশ সফর করবেন। গভর্নর বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিকসহ সব ক্ষেত্রে উন্নয়ন এবং এলডিসি থেকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হচ্ছে জেনে সন্তোষ প্রকাশ করেন।
তোফায়েল আহমেদ সম্প্রতি জাপানে ঘটে যাওয়া বন্যা ও ভূমি ধসের জাপানিদের প্রাণহানিতে গভীর দুঃখ ও শোক প্রকাশ করেন।
এসময় বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে জাপানে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত রাবাব ফাতেমা, এফবিসিসিআই-এর প্রেসিডেন্ট সফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন, বিজিএমই-এর প্রেসিডেন্ট সিদ্দিকুর রহমান, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ওবায়দুল আজম উপস্থিত ছিলেন।








