নির্বাচনের আগে শেষ কর্মদিবসে সচিবালয়ে ছুটির আমেজ

শফিকুল ইসলাম
২৮ ডিসেম্বর ২০১৮, ০১:০১আপডেট : ২৮ ডিসেম্বর ২০১৮, ১৫:৪৮






সচিবালয় বৃহস্পতিবার (২৭ ডিসেম্বর) ছিল একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে প্রশাসনের শেষ কর্মদিবস। অনেকে এ দিনটিকে বর্তমান সরকারের মেয়াদের শেষ কর্মদিবস বলছেন। তবে এ কথা সঠিক নয় বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। তারা বলছেন, আগামী রবিবার (৩০ ডিসেম্বর) ভোটের দিনের সাধারণ ছুটি শেষে পর সোমবার (৩১ ডিসেম্বর) থেকে আবার অফিস-আদালত পরিচালিত হবে বর্তমান সরকারের নেতৃত্বে। যদিও ততক্ষণে আগামীতে সরকার কোন দল বা জোটের নেতৃত্বে গঠিত হবে তা নির্ধারিত হয়ে যাবে।
সচিবালয়ের একাধিক কর্মচারী-কর্মকর্তা জানান, নতুন সরকার শপথ গ্রহণ না করা পর্যন্ত বর্তমান সরকারের নেতৃত্বেই পরিচালিত হবে প্রশাসন। কাজেই বৃহস্পতিবার কোনোভাবেই বর্তমান সরকারের মেয়াদের শেষ কর্মদিবস নয়। তবে প্রশাসনের আবহ ছিল সেই রকমই— এমনটা স্বীকারও করেছেন তারা।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সচিবালয়ে বৃহস্পতিবার (২৭ ডিসেম্বর) কোনও মন্ত্রী অফিস করেননি। সচিবরা এলেও তারা ছিলেন অনেকটা ঢিলেঢালাভাবে। অনেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত দফতরে থাকলেও তাদের তেমন ব্যস্ততা ছিল না। নির্বাচনকালীন প্রশাসন বলে গুরুত্বপূর্ণ কোনও ফাইল দেখা হয়নি তাদের। টানা তিন দিনের ছুটি পেয়ে অনেকেই চলে গেছেন ঢাকা ছেড়ে গ্রামের বাড়ি। কেউবা গেছেন ভোট দিতে। আবার কেউবা ভোটের কথা বলে গেছেন পরিবার-পরিজন নিয়ে বেড়াতে। ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহ বলে সন্তানদের স্কুলের বার্ষিক পরীক্ষা শেষ হয়েছে। ফলও প্রকাশিত হয়েছে। এমনকি নতুন ক্লাসে ভর্তিও শেষ হয়ে গেছে অনেক স্কুলে। তাই সুযোগটি হাতছাড়া করতে চাননি অনেকেই।
এসব কারণে এদিন সরকারের শীর্ষ প্রশাসনিক কার্যালয় সচিবালয়ে ছিল ছুটির আমেজ।
আগামী রবিবার ৩০ ডিসেম্বর জাতীয় সংসদ নির্বাচন। ওইদিন সারাদেশে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এর আগের দুই দিন শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় একসঙ্গে তিন দিনের ছুটি কাটানোর সুযোগ পেয়েছেন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন সরকারের চার টেকনোক্রেট মন্ত্রী ছাড়া প্রায় সবাই। ফলে রাজধানীসহ সারাদেশে নির্বাচন উপলক্ষে প্রচারণায় ব্যস্ত তারা।
জানতে চাইলে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব মোহম্মদ শফিউল আলম বাংলা ট্রিবিউনকে জানিয়েছেন, সরকারের স্বাভাবিক কাজকর্ম চলছে। মন্ত্রীরা দফতরে নেই বলে সরকারের কোনও গুরুত্বপূর্ণ কাজ আটকে নেই। তারা নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছেন, তাই নির্বাচনি প্রচারণায় নিজ নিজ এলাকায় রয়েছেন, যা খুবই স্বাভাবিক। তবে তারা সার্বক্ষণিক মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগও রাখছেন।

/এইচআই/
সম্পর্কিত
সর্বশেষ খবর
ফুল দিয়ে ড. খলিলুর রহমানকে বরণ
ফুল দিয়ে ড. খলিলুর রহমানকে বরণ
প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে বন্ধ কলকারখানা চালু ও ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত সভা
প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে বন্ধ কলকারখানা চালু ও ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত সভা
ত্রিমুখী তদন্তের ‍মুখে বেবিচকের প্রকৌশলী শরিফুল
ত্রিমুখী তদন্তের ‍মুখে বেবিচকের প্রকৌশলী শরিফুল
শিশুর হাতে স্মার্টফোন: আশীর্বাদ না অভিশাপ? 
শিশুর হাতে স্মার্টফোন: আশীর্বাদ না অভিশাপ? 
সর্বাধিক পঠিত
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম
তৃতীয় বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন আমির খান
তৃতীয় বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন আমির খান