থাইল্যান্ডের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্যিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক দীর্ঘদিনের বলে মন্তব্য করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। তিনি বলেন, ‘থাইল্যান্ডের অনেক পণ্যের বাংলাদেশে প্রচুর চাহিদা রয়েছে। বাংলাদেশেরও অনেক পণ্য থাইল্যান্ডে যায়। সংগত কারণেই দুই দেশের বাণিজ্য থাইল্যান্ডের পক্ষে। বিনিয়োগ বৃদ্ধির মাধ্যমে উভয় দেশের বাণিজ্য ব্যবধান কমানো সম্ভব।’
বুধবার (২৭ মার্চ) ঢাকার প্যানপ্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে চার দিনব্যাপী ‘থাইল্যান্ড ট্রেড ফেয়ার: টপ থাই ল্যান্ড-২০১৯’ এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। থাইল্যান্ড সরকারের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এই আয়োজন করেছে।
টিপু মুনশি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগে বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকায় ১০০টি স্পেশাল ইকোনমিক জোন গড়ে তোলার কাজ চলছে। এখানে থাইল্যান্ডের ব্যবসায়ীরা বিনিয়োগ করলে লাভবান হবেন। বাংলাদেশ সরকার দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য বিশেষ সুযোগ-সুবিধা ঘোষণা করেছে। থাইল্যান্ডের ব্যবসায়ীরা এ সুযোগ নিতে পারেন।’
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘থাইল্যান্ডের মতো বাংলাদেশেও পর্যটনের বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। ভিসা ও যাতায়াত সহজ হলে পর্যটন শিল্প বিকাশ লাভ করবে। সুযোগ সৃষ্টি করা হলে বাংলাদেশে প্রচুর পর্যটক আসবে। উভয় দেশের বাণিজ্য ও পর্যটন সুবিধা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে জটিলতাগুলো দূর করা হলে বাণিজ্য আরও বাড়বে।’
প্যানপ্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলের বল রুমে প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য মেলা উন্মুক্ত থাকবে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে গেস্ট অব অনার হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট ডেভেলপমেন্ট অথরিটির নির্বাহী চেয়ারম্যান কাজী এম. আমিনুল ইসলাম।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ঢাকাস্থ থাই অ্যাম্বাসির চার্জ ডি অ্যাফেয়ার্স ক্রাইচক অরুনপাইরোজকুল।
উল্লেখ্য, মোট ৭৬টি প্রতিষ্ঠান মেলায় পণ্য প্রদর্শন করছে।








