আর্থসামাজিক অগ্রগতি যে হারে হচ্ছে তাতে নির্দিষ্ট সময়েই সব সূচকে লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা সম্ভব হবে বলে মনে করেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক মো. আবুল কালাম আজাদ।
শনিবার (২৭ এপ্রিল) রাজধানীর ইআরএফ মিলনায়তনে ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ১০টি বিশেষ উদ্যোগ বাস্তবায়নে গণমাধ্যমের ভূমিক’ শীর্ষক সাংবাদিক কর্মশালায় একথা বলেন তিনি।
মো. আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘জিডিপির আকার ২০০৮ সালে ছিল ৯১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, ২০১৮ সাল শেষে সেটি দাঁড়িয়েছে ২৮০ বিলিয়ন ডলারে। ২০০৮ সালে বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা ছিল ৩ হাজার ২৬৪ মেগাওয়াট। ২০১৮ সালে উৎপাদনের সক্ষমতা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২০ হাজার ৭৭৫ মেগাওয়াট। সর্বশেষ গত বুধবার প্রথমবারের মতো ১২ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের মাইলফলক অতিক্রম করেছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘২০০৮ সালে মাথাপিছু আয় ছিল ৬১৫ ডলার। সেটি এখন দাঁড়িয়েছে ১৯০৯ মার্কিন ডলার। ২০০৫ সালে মাতৃমৃত্যু হার ছিল ৩ দশমিক ৪৮ শতাংশ, ২০১৮ সালে সেটি হয়ে দাঁড়িয়েছে ১ দশমিক ৭২ শতাংশ। ২০০৮ সালে গড় আয়ু ছিল ৬৯ বছর, ২০১৮ সালে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭২ বছরে। ২০০৮ সালে দেশের রফতানি আয় ছিল ২৩ বিলিয়ন ডলার, যা ২০১৮ সালে এসে দাঁড়িয়েছে ৩৫ বিলিয়ন ডলারে। নারীর ক্ষমতায়ন দ্রুতগতিতে বাড়ছে। বর্তমানে দেশের আর্থসামাজিক অগ্রগতি যে হারে হচ্ছে, সেটি অব্যাহত থাকলে নিদির্ষ্ট সময়েই এসডিজির সব সূচকে লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা সম্ভব হবে। বর্তমানে যে গতিতে অর্থনীতি এগিয়ে যাচ্ছে এটি আরও ত্বরান্বিত হবে।’
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন তথ্য সচিব আবদুল মালেক, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, ‘আমার বাড়ি আমার খামার’ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক আকবর হোসেন প্রমুখ।
কর্মশালা শেষে ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ১০টি বিশেষ উদ্যোগ’ বিষয়ে বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস) থেকে প্রকাশিত দ্বিতীয় প্রকাশনা ‘উন্নয়ন সোপানে বাংলাদেশ-২’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করা হয়।








