লন্ডনের ব্রিক লেন সোনালী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আজ সোমবার (৩ ফেব্রুয়ারি ) শুরু হচ্ছে সোনালী ব্যাংক যুক্তরাজ্য লিমিটেডের দু'দিন ব্যাপী বোর্ডসভা। এ উপলক্ষে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. আসাদুল ইসলাম এবং সোনালী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডের চেয়ারম্যান জিয়াউল হাসান সিদ্দিকী এখন লন্ডনে অবস্থান করছেন। সোনালী ব্যাংকের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
এর আগে ১ ফ্রেব্রুয়ারি ব্যাংকের সব পরিচালক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত ক্যালচারাল কনফারেন্সে আসাদুল ইসলাম বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনকালে অনুষ্ঠেয় এ বোর্ডসভা বিশেষ গুরুত্ব রাখে।
তিনি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রতিষ্ঠিত এ ব্যাংকটিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া এবং ইউরোপ আমেরিকায় বাংলাদেশের ব্যবসা বাণিজ্য সম্প্রসারণে আধুনিক ব্যাংকিং সেবা দিতে সক্ষম হিসাবে এ ব্যাংককে গড়ে তোলার ব্যাপারে বর্তমান সরকারের দৃঢ় অঙ্গীকারের কথা তুলে ধরেন।
উল্লেখ্য, যুক্তরাজ্যসহ বাঙালি কমিউনিটিকে ব্যাংকিং সেবা দেওয়ার উদ্দেশে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৪ সালে এই ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করেন।
বর্তমানে ব্রিকলেন এবং বার্মিংহামে এ ব্যাংকের দুটি শাখা বাণিজ্য অর্থায়ন, রেমিট্যান্স পাঠানোসহ সীমিত আকারে অন্যান্য ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করছে। সোনালী ব্যাংক যুক্তরাজ্য লিমিটেডে শতকরা ৫১ ভাগ শেয়ার সরকারের এবং ৪৯ ভাগ শেয়ার সোনালী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডের।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ১ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত কালচারাল কনফারেন্সে ব্যাংকের সংস্কৃতি এবং মূল্যবোধ, আচরণবিধি, শেয়ারহোল্ডারের দৃষ্টিভঙ্গি এবং উদ্দেশ্য , ২০১৯ পারফরম্যান্স, মূল ব্যবসা (যেমন রেমিটেন্স, ট্রেড ফিন্যান্স, কমিশন) মাল্টিস্কেলিং, আইটি সিস্টেম, কমপ্লায়েন্স এবং সার্বিকভাবে ব্যাংকের বর্তমান সামর্থ, চ্যালেঞ্জ, সুযোগ এবং সামনে এগিয়ে চলার লক্ষে ভবিষ্যত পরিকল্পনার ওপর খোলামেলা আলোচনা হয়। কনফারেন্সে ২০১৯ সালকে পরিবর্তনের/রূপান্তরের বছর এবং ২০২০ সালকে সম্প্রসারণের বছর বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
জানা গেছে, গত কয়েক বছরের স্থবিরতা নিরসনে গত বছরের শেষে এবং এ বছরের প্রারম্ভে পরিচলনা পর্ষদে ব্যাপক পরিবর্তন আনা হয়েছে। এছাড়া নুতন ব্যবসা পরিকল্পনা চূড়ান্ত করে স্থানীয় নিয়ন্ত্রক সংস্থার কাছে জমা দেওয়া হয়েছে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, বার্মিংহাম ব্রাঞ্চে ৯০ হাজার পাউন্ড ব্যয়ে পরিমার্জনের কাজ শুরু করা হয়েছে, অধিকতর লাভজনক ট্রেড ফাইন্যান্সের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে ৬০ মিলিয়ন পাউন্ড ঋণ চাওয়া হয়েছে। যুক্তরাজ্যসহ বর্তমান প্রজন্মের শিক্ষিত বাংলাদেশি তরুণ ব্যবসায়ীদের কাছে ব্যংকের বিভিন্ন সেবা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।








