একটি ঋণের অর্থ দিয়ে কোনোভাবেই অপর কোনও ঋণের দায় পরিশোধ বা সমন্বয় করা যাবে না। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) কেন্দ্রীয় ব্যাংক এ ব্যাপারে একটি সার্কুলার জারি করেছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে পরিশোধ করা হচ্ছে আগের ঋণ। এতে করে এক গ্রাহকই বারবার ঋণ নিচ্ছেন। বঞ্চিত হচ্ছেন নতুন উদ্যোক্তারা। ফলে ঋণ বিতরণে সৃষ্টি হচ্ছে বিশৃঙ্খলা, বাড়ছে অনিয়ম-দুর্নীতি। এ কারণে ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষায় বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে পরিবীক্ষণ করার জন্যও ব্যাংকগুলোকে নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
বাংলাদেশে কার্যরত সব তফসিলি ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো সার্কুলারে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ ব্যাংকের ‘গাইডলাইনস অন ক্রেডিট রিস্ক ম্যানেজমেন্ট (সিআরএম) ফর ব্যাংকস’র নির্দেশনা অনুযায়ী গ্রাহককে যে উদ্দেশ্যে ঋণ দেওয়া হয়েছে বা হবে, সে উদ্দেশ্যেই ঋণের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে, নিয়মিত মনিটরিং করার জন্য বিআরপিডি থেকে একটি সার্কুলার জারি করা হয়। আরেকটি সার্কুলারের মাধ্যমে কিস্তিভিত্তিক প্রকল্প ঋণের ক্ষেত্রে পূর্ববর্তী কিস্তির সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত হয়ে পরবর্তী কিস্তি ছাড়করণের জন্য এবং কোনও ঋণের অর্থ মঞ্জুরিপত্রে বর্ণিত খাতের পরিবর্তে অন্য কোথাও ব্যবহৃত হলে ব্যাংককে তার কারণ উদ্ঘাটনসহ তা রোধকল্পে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্যও নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক উল্লেখ করেছে, ‘সম্প্রতি লক্ষ করা যাচ্ছে যে, গ্রাহকের অনুকূলে প্রদত্ত ঋণ দ্বারা গ্রাহকের বিদ্যমান অন্য কোনও ঋণের দায় পরিশোধ বা সমন্বয়ে ব্যবহৃত হচ্ছে, যা ঋণ শৃঙ্খলার পরিপন্থী। ‘গাইডলাইনস অন ক্রেডিট রিস্ক ম্যানেজমেন্ট (সিআরএম) ফর ব্যাংকস’র যথাযথ পরিপালন নিশ্চিতকল্পে এ মর্মে নির্দেশনা প্রদান করা যাচ্ছে যে একটি ঋণের অর্থ দিয়ে কোনোভাবেই অপর কোনও ঋণের দায় পরিশোধ বা সমন্বয় করা যাবে না।








