তৈরি পোশাক প্রস্তুতকারক ও রফতানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সাবেক সভাপতি, সাবেক ফুটবলার আব্দুস সালাম মুর্শেদী বলেছেন, বিজিএমইএ’র আসন্ন নির্বাচন নিয়ে কোনও ভয়ভীতির শঙ্কা নেই। নির্বাচন সুষ্ঠু হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
সোমবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় গুলশানে বিজিএমইএ’ র আসন্ন নির্বাচন উপলক্ষে সম্মিলিত পরিষদের অফিস উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি। এ সময় বিজিএমইএ, বিকেএমইএ’র সাবেক ও বর্তমান অনেক নেতাসহ খাত সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।
আব্দুস সালাম মুর্শেদী বলেন, ‘নির্বাচন নিয়ে অনেকেই কটু মন্তব্য করছেন। আপডেট ছবিসহ ভোটার তালিকা করার কথা বলা হচ্ছে এবং ডিজিটাল ভোটার আইডি কার্ড বা বায়োমেট্রিকের কথাও বলা হচ্ছে। তবে যেকোনও বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হলে অবশ্যই সেটা এজিএমের মাধ্যমে পাস করে আনতে হয়, যেটা বর্তমান বোর্ড করেনি। তাই বায়োমেট্রিকের কোনও সু্যোগ নেই।’
তিনি বলেন, ‘সাবেক সভাপতি হিসেবে আপনাদের আশ্বস্ত করতে চাই, বায়োমেট্রিকের কোনও সুযোগ না থাকলেও অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হবে। কারও নমিনেশন পেপার ছিনিয়ে নেওয়া হবে না, সবাই কিনতে পারবেন।’
জাল ভোট নিয়ে তিনি বলেন, ‘‘গত নির্বাচন নিয়ে অনেক কথা ওঠেছে। তবে এবার সুষ্ঠু নির্বাচনের প্রতিশ্রুতি দিতে পারি। বিজিএমইএ’র একটা ঐতিহ্য আছে, সেই আলোকে ভোট হবে। বিজিএমইএ-কে পুঁজি করে অনেকেই টেন্ডার, এমপি, মন্ত্রী হতে চাই— এমন কথাও আসছে। তবে এটা বলতে পারি, যোগ্যতার ভিত্তিতে মানুষ নেতা হয়, যোগ্যহীনদের কাছে ‘আঙুর ফল টক’।’’
সম্মিলিত পরিষদের প্যানেল নেতা ফারুক হাসান বলেন, ‘টেকসই ব্যবসা গড়ে তুলতে হবে। বায়ার-মালিক সম্পর্ক বাড়ানোর দিকে নজর দিতে চাই। আমাদের মার্কেট শেয়ার ছিল ৬.৮ শতাংশ, সরকারের আর্থিক সহয়তায় সেটা বেড়ে ১৬ শতাংশে এসেছিল। সেটা আবারও কমেছে।’ আমরা বিজয়ী হলে আবারও মার্কেট শেয়ার বাড়াতে কাজ করবেন বলে জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা মিডিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক আরও জোরদার করতে চাই। মিডিয়া ফেলোশিপ চালু থাকলেও সেটা আপাতত বন্ধ আছে। আমরা এটা আবারও চালু করতে চাই। বর্তমান বোর্ডের সব ভালো কাজগুলোকে কন্টিনিউ (চালু) করতে চাই। পাশাপাশি আমরা বাংলাদেশকে ব্র্যান্ডিং করবো।সরকারের সঙ্গে আরও সুসম্পর্ক করবো। বিকেএমএই, বিটিএমইসহ সব অ্যাসোসিয়েশন নিয়ে এ খাতকে অনেক দূরে এগিয়ে নিতে চাই।’









