বাংলাদেশ থেকে বিদেশে লোক পাঠানোর সময় বিদেশ গমনকারীর অভিবাসন খরচ তুলনামূলক বেশি পড়ে। যার সিংহভাগ চলে যায় রিক্রুটিং এজেন্সির পকেটে। এ বিষয়ে অভিবাসন বিষয়ক জাতিসংঘ মহাসচিবের বিশেষ দূত পিটার সাদারল্যান্ড বলেছেন অভিবাসন খরচ ন্যায্য হলে তা অভিবাসী ও চাকরিদাতা দুই পক্ষের জন্যই মঙ্গলজনক হবে।
পিটার সাদারল্যান্ড বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল স্ট্রাটেজি অ্যান্ড স্টাডিজে অভিবাসন ও উন্নয়ন শীর্ষক অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করছিলেন।
তিনি বলেন বাংলাদেশে প্রচুর সংস্থা বিদেশে লোক পাঠায় এবং এটি এখানে একটি শিল্প। এখন বাংলাদেশকে দেখাতে হবে তারা এ সংক্রান্ত আইনকানুন শক্তভাবে প্রয়োগ করতে সক্ষম।
বিদেশ থেকে টাকা পাঠানোর খরচ অনেক বেশি মন্তব্য করে তিনি বলেন তার বিবেচনায় এর খরচ দুই থেকে তিন শতাংশের বেশি হওয়ার কথা নয়। বর্তমানে বাংলাদেশের জন্য এর খরচ প্রায় আট শতাংশ বলে তিনি জানান।
পিটার বলেন বাংলাদেশ প্রচুর রেমিট্যান্স পায় এবং এটি বৈদেশিক বিনিয়োগ বা সাহায্যেও কয়েক গুণ।
প্রতি ডলার ৭৮ টাকার হিসাবে গত বছর বাংলাদেশ ১ লাখ ১৭ হাজার কোটি টাকা রেমিট্যান্স পেয়েছে।
পিটার বলেন রেমিট্যান্স পাঠানোর খরচ যদি কমানো যায় তবে বিপুল পরিমাণ টাকা পৌঁছাবে।
রেমিট্যান্স প্রেরণকারী বিভিন্ন দেশের রাজনীতিকদের সমালোচনা করে তিনি বলেন তারা রেমিট্যান্স পাঠানোর খরচ কমাতে আগ্রহী নয়।
তিনি আরও বলেন, এ বছর অভিবাসনের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বছর। কারণ বিশ্বজুড়ে বিশেষ করে ইউরোপে অভিবাসন সংক্রান্ত ঝামেলা চলছে এবং এখানে বাংলাদেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
/এসএসজেড/এফএ/








