বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী বলেছেন, দেশে প্রয়োজনীয় কাঁচা পাট সরবরাহ নিশ্চিত করতে এবং পাট ও পাটজাত পণ্য রফতানির ধারা বেগবান করার লক্ষ্যে সবসময় পণ্যটির বাজারদর পর্যবেক্ষণে রাখা হবে।
মঙ্গলবার (১৪ জুন) দুপুরে সচিবালয়ে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ‘বাংলাদেশ জুট অ্যাসোসিয়েশনের (বিজেএ) একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে মন্ত্রী এ কথা বলেন।
এ সময় বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব আব্দুর রউফ, মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত তসলিম কানিজ নাহিদা, বাংলাদেশ জুট অ্যাসোসিয়েশেনের (বিজেএ) সভাপতি শেখ সৈয়দ আলী, সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান আরজু মিয়াসহ অ্যাসোসিয়েশনের নেতা ও মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী বলেন, পাট চাষ নিশ্চিত করতে বীজ সরবরাহ সঠিক রাখার পাশাপাশি কৃষককে অন্যান্য উপকরণ সহায়তার কারণে সম্প্রতিক বছরগুলোতে পাটের উৎপাদন বহুগুণে বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে পাটকলগুলো নিরবচ্ছিন্নভাবে পাট সংগ্রহ করতে পারছে; যা রফতানি আয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
চলতি মৌসুমে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে কাঁচা পাট বাজারে আসতে শুরু করেছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘এ মৌসুমে কাঁচা পাটের উৎপাদনও সন্তোষজনক। চাষিরা পাটের ভালো দাম পাবেন। কোনও কারণে যেন কাঁচা পাটের দাম অসহনীয় না হয়, সেজন্য সবসময় কাঁচা পাটের বাজারদর পর্যবেক্ষণ করা হবে।’
পাট ও পাটজাত পণ্যের রফতানি আয়ের ধারা অব্যাহত রাখার জন্য কাঁচা পাটের সরবরাহ নিশ্চিত করতে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এজন্য লাইসেন্সবিহীন অসাধু ব্যবসায়ীদের কাঁচা পাট ক্রয়-বিক্রয় ও মজুত থেকে বিরত রাখা, ভেজাপাট কেনা-বেচা বন্ধ করা এবং বাজারে কাঁচাপাটের সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য কার্যকর পদক্ষেপ নিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পাট অধিদফতরকে নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।
এসময় ‘রফতানি নীতি ২০২১-২০২৪’-এ শর্ত সাপেক্ষে রফতানি পণ্য তালিকায় কাঁচাপাট অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে আলোচনা হয়। এবিষয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সাথে আলোচনা করে পরবর্তী করণীয় নির্ধারণের সিদ্ধান্ত হয় বলে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।









