ডিমের উৎপাদন খরচ ১০ টাকা ৫০ পয়সা। তাই লাভ রেখে প্রতিটি ডিমের খুচরা বিক্রয়মূল্য কোনোভাবেই ১২ টাকার বেশি হাওয়া উচিত নয় বলে মনে করেন প্রাণি সম্পদ অধিদফতরের পরিচালক ড. মো. শাহিনুর আলম। সোমবার (১৪ আগস্ট) জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের প্রধান কার্যালয়ের সভাকক্ষে ডিমের মূল্য বৃদ্ধির বিষয়ে ডিম উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান (ফার্ম ও করপোরেট), এজেন্ট/ডিলার ও ডিম ব্যবসায়ী সমিতির সদস্যদের অংশগ্রহণে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় এই মন্তব্য করেন তিনি।
সভায় সভাপতিত্ব করেন জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) এ.এইচ.এম. সফিকুজ্জামান। সেখানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনের সদস্য মো. হাফিজুর রহমান, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. আনোয়ার হোসাইন, গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিনিধি, বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের প্রতিনিধি, এফবিসিসিআই এর প্রতিনিধি, ক্যাবের প্রতিনিধি, ডিম উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান (ফার্ম ও করপোরেট)-এর প্রতিনিধি, বিভিন্ন ডিম ব্যবসায়ী সমিতির প্রতিনিধিরা।
সভায় ভোক্তা অধিদফতরের জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আব্দুল জব্বার মন্ডল বলেন, অভিযান চালানোর সময় ডিম বিক্রির ক্ষেত্রে বিভিন্ন ফার্মের ক্যাশমেমোতে ডিমের দর ও মোট টাকার কথা উল্লেখ না থাকা, ক্যাশমেমোতে দর উল্লেখ না থাকা, ডিম কেনার ক্যাশমেমো না থাকা, মূল্য তালিকা প্রদর্শন না করা, একটি আড়তে তদারকি করতে গেলে অন্য সব আড়ত বন্ধ করে দেওয়া ইত্যাদি বিষয় দেখা যায়।
বাংলাদেশ পোল্ট্রি অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সুমন হাওলাদার বলেন, প্রান্তিক খামারিদের বাঁচিয়ে রাখতে হবে। উৎপাদন বাড়ানো গেলে ভোক্তারা কম মূল্যে ডিম পাবেন।
ক্যাবের প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেটর আহমেদ একরামুল্লাহ ডিমের মূল্য না কমলে ডিম আমদানির দাবি জানান।
ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের মহাপরিচালক জানান, আগামী ১৬ আগস্ট থেকে ডিমের নির্ধারিত মূল্যর বিষয়ে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হবে।









