সরকার সয়াবিন তেলের বাজার স্থিতিশীল করতে প্রতি লিটারে ৮ টাকা বাড়িয়ে ১৭৫ টাকা নির্ধারণ করেছে। সয়াবিন তেলের এই মূল্যবৃদ্ধি বাস্তবায়নে তিনটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সোমবার (৯ ডিসেম্বর) বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশীরউদ্দিনের সভাপতিত্বে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত ভোজ্য তেলের মূল্য সমন্বয় সংক্রান্ত বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সর্বসম্মতিক্রমে বৈঠকে নিম্নরূপ সিদ্ধান্তগুলো হচ্ছে—
১. আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত সয়াবিন ও পাম তেলের মূল্য বৃদ্ধির প্রবণতা বিবেচনায় এনে অভিন্ন মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি অনুসরণ পূর্বক প্রতি লিটার খোলা সয়াবিন তেলে সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ১৫৭ টাকা, প্রতি লিটার খোলা পাম সুপার তেলের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ১৫৭ টাকা, প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেলের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ১৭৫ টাকা এবং প্রতি ৫ (পাঁচ) লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেলের সর্বোচ্চ খুচরা ৮৫২ টাকা নির্ধারণ করে বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন বিজ্ঞপ্তি জারি করবে;
২. জাতীয় রাজস্ব বোর্ড পরিশোধিত সয়াবিন ও পাম তেল আমদানিতে আমদানি পর্যায়ে আরোপিত বিদ্যমান সংযোজন করের (মূসক) মেয়াদ আগামী ১৫ ডিসেম্বর থেকে বৃদ্ধি করে ৩১ মার্চ ২০২৫ পর্যন্ত নির্ধারণ করবে; এবং
৩. বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন প্রত্যেক মাসে ৫ তারিখের মধ্যে অভিন্ন মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি অনুযায়ী ভোজ্য তেলের মূল্য সমন্বয়ের নিমিত্ত বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে সুপারিশ প্রেরণ করবে এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয় তদনুযায়ী সভা করবে।
বৈঠকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাং সেলিম উদ্দিন, বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মইনুল খানসহ দেশের বিশিষ্ট ভোজ্য তেল আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।









