ঋণ চাইছে বাংলাদেশ, কিন্তু বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরবে কীভাবে?

গোলাম মওলা, ব্যাংকক থেকে
১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২৩:০০ আপডেট : ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২৩:০০

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে সাত মাসে জ্বালানি ও সার আমদানিতে বাংলাদেশের অতিরিক্ত ব্যয় হয়েছে ৪১২ কোটি ডলার, যা দেশীয় মুদ্রায় প্রায় ৫০ হাজার ২৬৪ কোটি টাকা। যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে প্রতি মাসে আরও প্রায় ৬০ কোটি ডলার বাড়তি ব্যয়ের আশঙ্কা রয়েছে। একদিকে এই বাড়তি ব্যয়ের চাপ, অন্যদিকে উচ্চ মূল্যস্ফীতি, দুর্বল প্রবৃদ্ধি ও বিনিয়োগে স্থবিরতা—সব মিলিয়ে কঠিন পরিস্থিতির মুখে পড়েছে দেশের অর্থনীতি। এ অবস্থায় আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) ও বিশ্বব্যাংকের কাছে বাড়তি অর্থায়ন চাইছে বাংলাদেশ। একইসঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের কাছেও বাড়তি বিনিয়োগের আহ্বান জানানো হয়েছে।

তবে অর্থনীতিবিদদের প্রশ্ন, ঋণ ও বিনিয়োগের উদ্যোগ চললেও দেশে বিনিয়োগকারীদের আস্থা কতটা ফিরছে? তাদের মতে, শুধু ঋণ, বিনিয়োগ সম্মেলন কিংবা প্রণোদনা দিয়ে অর্থনীতিতে গতি ফেরানো সম্ভব নয়। বিনিয়োগ বাড়াতে হলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, ব্যবসার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং অর্থনৈতিক সংস্কারের কার্যকর বাস্তবায়ন জরুরি।

থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে অনুষ্ঠিত আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংক গ্রুপের বার্ষিক সভার ফাঁকে বাংলাদেশের প্রতিনিধিদল এসব বিষয় নিয়ে আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে আলোচনা করছে। যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বিভাগের কর্মকর্তা ও চীনের এক্সিম ব্যাংকের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে অর্থায়ন ও বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান জানানো হয়েছে। পাশাপাশি আইএমএফের সঙ্গে নতুন তিন বছর মেয়াদি সাড়ে চার বিলিয়ন ডলারের ঋণ কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা চলছে। আগামী তিন বছরে বিশ্বব্যাংকের কাছেও অতিরিক্ত ১০ বিলিয়ন ডলার অর্থায়ন চেয়েছে বাংলাদেশ।

তবে এসব অর্থায়নের বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। অর্থায়ন পাওয়ার পাশাপাশি অর্থনীতির প্রতি দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরিয়ে আনা এখন সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।

বিনিয়োগের পথে বড় বাধা আস্থার সংকট

বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ও বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সানেমের নির্বাহী পরিচালক ড. সেলিম রায়হান মনে করেন, বাংলাদেশে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে আস্থার বড় সংকট তৈরি হয়েছে। দুর্বল অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও উচ্চ মূল্যস্ফীতির চাপ থেকে বেরিয়ে আসতে এখন বিনিয়োগ বাড়ানো সবচেয়ে জরুরি। কিন্তু সাম্প্রতিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিনিয়োগের জন্য বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠেছে।

তিনি বলেন, মব সন্ত্রাস, পিটিয়ে হত্যা এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ধর্মীয় উগ্রতার প্রকাশ বাড়ছে। অনেক ক্ষেত্রে সংখ্যালঘু সম্প্রদায় এসব ঘটনার লক্ষ্যবস্তু হচ্ছে। এ ধরনের ঘটনা আন্তর্জাতিক পরিসরে বাংলাদেশের নিরাপত্তা, সহনশীলতা ও স্থিতিশীলতা সম্পর্কে নেতিবাচক বার্তা দিচ্ছে।

ড. সেলিম রায়হানের মতে, বিনিয়োগ সম্মেলন আয়োজন বা প্রণোদনা দেওয়ার মাধ্যমে আস্থার এই সংকট দূর করা যাবে না। দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের বিশ্বাস করতে হবে যে রাষ্ট্র আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং জীবন, সম্পদ ও ব্যবসার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সক্ষম।

বিনিয়োগকারীরা নিজেদের, কর্মীদের ও প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা নিয়ে অনিশ্চয়তায় থাকলে নতুন বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত পিছিয়ে দিতে পারেন। এমনকি বিদ্যমান বিনিয়োগও অন্য দেশে সরিয়ে নেওয়ার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। ফলে বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের উদ্যোগের পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি ও কার্যকর জবাবদিহি নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

যুদ্ধের ধাক্কায় বাড়তি ব্যয় ৫০ হাজার কোটি টাকা

বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মাননীয় ফেলো ড. ফাহমিদা খাতুন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ বাংলাদেশের অর্থনীতিতে বড় চাপ তৈরি করেছে। গত সাত মাসে তেল, গ্যাস ও সার কিনতে অতিরিক্ত ব্যয় হয়েছে ৪১২ কোটি ডলার, অর্থাৎ প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকা। যুদ্ধ চলতে থাকলে প্রতি মাসে আরও প্রায় ৬০ কোটি ডলার বাড়তি ব্যয় হতে পারে।

তিনি বলেন, ডলারের সংকট ও নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির চাপে থাকা বাংলাদেশের জন্য এই পরিস্থিতি উদ্বেগজনক। যুদ্ধে বাংলাদেশ সরাসরি জড়িত না থাকলেও আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি ও সারের দাম বাড়ার কারণে দেশকে বড় আর্থিক ক্ষতি বহন করতে হচ্ছে। এ কারণে ক্ষতিপূরণ চাওয়ার যুক্তি রয়েছে। তবে এই অর্থ কে দেবে এবং কীভাবে আদায় করা হবে, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে স্পষ্ট ব্যবস্থা নেই। ফলে ক্ষতিপূরণের দাবি বাস্তবায়ন কঠিন হতে পারে।

ড. ফাহমিদা খাতুন বলেন, বিশ্বব্যাংক ৩০ থেকে ৪০টি দেশের সঙ্গে সম্ভাব্য সহায়তা নিয়ে আলোচনা করছে, যা আশার কথা। সহজ শর্তে ঋণ কিংবা বিশেষ তহবিল পাওয়া গেলে বাংলাদেশের ওপর তাৎক্ষণিক চাপ কিছুটা কমতে পারে। তবে শুধু আন্তর্জাতিক সহায়তার দিকে তাকিয়ে থাকলে চলবে না।

তার মতে, জ্বালানি আমদানির উৎস বাড়ানো, সারের মজুত ও সরবরাহ নিশ্চিত করা, অপচয় কমানো এবং সৌরশক্তিসহ নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। পাশাপাশি দরিদ্র পরিবার ও কৃষকদের লক্ষ্যভিত্তিক সহায়তা দেওয়া জরুরি, যাতে বাড়তি ব্যয়ের বোঝা তাদের জীবনযাত্রা ও কৃষি উৎপাদনকে আরও ক্ষতিগ্রস্ত না করে।

ঋণের পাশাপাশি সরাসরি বিনিয়োগ চায় সরকার

ব্যাংককে বার্ষিক সভার সাইডলাইনে যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বিভাগের কর্মকর্তা ও চীনের এক্সিম ব্যাংকের প্রতিনিধিদের সঙ্গে পৃথক বৈঠকে অর্থায়ন ও বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ।

যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকের পর অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্র থেকে উড়োজাহাজ, জ্বালানি, সয়াবিনসহ বিভিন্ন পণ্য আমদানি করছে। দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্কের বিষয়টি তুলে ধরে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে বাড়তি সহায়তার প্রত্যাশা জানিয়েছেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, সরকারের অর্থনৈতিক নীতিতে ঋণের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ ও যৌথ বিনিয়োগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এ বিষয়ে চীনের এক্সিম ব্যাংকের সঙ্গেও আলোচনা হয়েছে।

এদিকে, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে আলোচনায় বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সংকট, বৈশ্বিক জ্বালানি পরিস্থিতির প্রভাব এবং অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়েছে। ব্যাংক খাত সংস্কার, বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও দারিদ্র্য কমাতে সরকারের কর্মসূচি নিয়েও আলোচনা হয়েছে।

তার ভাষ্য, বিশ্বব্যাংক, আইএমএফ, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক, ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক, চীনের এক্সিম ব্যাংক এবং যুক্তরাষ্ট্রের সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে অর্থায়ন নিয়ে আলোচনা চলছে। আগামী দুই থেকে তিন মাসের মধ্যে এ বিষয়ে অগ্রগতি হতে পারে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

ঋণ মিললেই কি কাটবে অর্থনৈতিক সংকট?

বাংলাদেশের জন্য এখন আন্তর্জাতিক অর্থায়ন গুরুত্বপূর্ণ হলেও ঋণ পাওয়াই অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের একমাত্র সমাধান নয়। নতুন ঋণের অর্থ বৈদেশিক মুদ্রার ওপর তাৎক্ষণিক চাপ কমাতে এবং সংস্কার কর্মসূচি বাস্তবায়নে সহায়তা করতে পারে। কিন্তু ঋণের অর্থ সুদসহ পরিশোধ করতে হবে। ফলে অর্থায়নের পরিমাণের পাশাপাশি শর্ত, ব্যবহার ও দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব বিবেচনায় নেওয়া জরুরি।

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে বাড়তি আমদানি ব্যয় সামলাতে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সহযোগিতা চাইছে। বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট অজয় বাঙ্গা জানিয়েছেন, যুদ্ধ ও জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধিতে ক্ষতিগ্রস্ত ৩০ থেকে ৪০টি দেশের সঙ্গে সম্ভাব্য সহায়তা নিয়ে আলোচনা চলছে। প্রাথমিকভাবে ২৫ বিলিয়ন ডলারের সংকটকালীন তহবিলের ব্যবস্থা করা হয়েছে। পরিস্থিতির অবনতি হলে সহায়তার পরিমাণ সর্বোচ্চ ১০০ বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন।

তবে সম্ভাব্য এই সহায়তা বাংলাদেশ কতটা পাবে, কী শর্তে পাবে এবং অর্থের কতটা অনুদান বা ঋণ হিসেবে আসবে, তা এখনো নিশ্চিত নয়। যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট বাড়তি ব্যয়ের ক্ষতিপূরণ, জরুরি সহায়তা ও ঋণ—তিনটি বিষয়ও আলাদা। আন্তর্জাতিক অর্থায়ন পাওয়া গেলেও তা সরাসরি যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ হিসেবে বিবেচিত হবে না।

কর্মসংস্থান বাড়াতে দরকার বিনিয়োগ

অর্থনীতির পুনরুদ্ধারের জন্য শুধু আমদানি ব্যয় সামলানো নয়, নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং উৎপাদনশীল খাত সম্প্রসারণও জরুরি। বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট অজয় বাঙ্গার হিসাব অনুযায়ী, আগামী ১০ থেকে ১৫ বছরে উন্নয়নশীল ও উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলোতে প্রায় ১২০ কোটি তরুণ কর্মক্ষম বয়সে পৌঁছাবে। বর্তমান প্রবণতায় তাদের জন্য আনুমানিক ৪০ কোটি কর্মসংস্থান সৃষ্টি হতে পারে। ফলে কর্মসংস্থানের বড় ঘাটতি মোকাবিলায় বেসরকারি বিনিয়োগ বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তা সামনে এসেছে।

বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও নতুন শিল্পকারখানা স্থাপন, বিদ্যমান শিল্পের উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং রফতানি সম্প্রসারণের জন্য দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ প্রয়োজন। কিন্তু ব্যবসার পরিবেশ নিয়ে অনিশ্চয়তা থাকলে শুধু অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি বিনিয়োগে রূপ নেবে না।

অর্থনীতিবিদদের বক্তব্য অনুযায়ী, বিনিয়োগ বাড়াতে হলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, ব্যাংক খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং নীতিনির্ধারণে ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে জ্বালানি সরবরাহ সচল রাখা, মূল্যস্ফীতির চাপ কমানো এবং নিম্ন আয়ের মানুষের সামাজিক সুরক্ষা জোরদার করা জরুরি।

সব মিলিয়ে, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের ধাক্কা বাংলাদেশের অর্থনীতিতে নতুন চাপ তৈরি করেছে। সাত মাসে জ্বালানি ও সার আমদানিতে প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকার বাড়তি ব্যয় সেই চাপের মাত্রা তুলে ধরছে। সরকার আন্তর্জাতিক অর্থায়ন ও বিদেশি বিনিয়োগের চেষ্টা চালালেও অর্থনীতির পুনরুদ্ধার নির্ভর করবে অর্থের জোগানের পাশাপাশি বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফেরানোর ওপর। ঋণ সাময়িক স্বস্তি দিতে পারে, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদি প্রবৃদ্ধি ও কর্মসংস্থানের জন্য প্রয়োজন নিরাপদ ব্যবসার পরিবেশ, কার্যকর সংস্কার এবং বিনিয়োগের উপযোগী স্থিতিশীল অর্থনীতি।

/আইএএম/
সম্পর্কিত
যুদ্ধের ক্ষতি, জ্বালানির ধাক্কা: দরিদ্র দেশগুলোর পাশে দাঁড়াবে কে?
নিম্নআয়ের দেশগুলোর জন্য আইএমএফের বার্তা কী
ঋণ পরিশোধেই রাজস্বের ১৪ শতাংশ ব্যয় হচ্ছে নিম্নআয়ের দেশগুলোর
সর্বশেষ খবর
সাতক্ষীরায় যুবককে পিটিয়ে হত্যা, ফজলুল হক আমিনী গ্রেফতার
সাতক্ষীরায় যুবককে পিটিয়ে হত্যা, ফজলুল হক আমিনী গ্রেফতার
অপ্রতিম হত্যা: কবে আদালতে চার্জশিট দেবে পুলিশ, জানালেন এসপি
অপ্রতিম হত্যা: কবে আদালতে চার্জশিট দেবে পুলিশ, জানালেন এসপি
শান্তিনগরে পুলিশ বক্সের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ
শান্তিনগরে পুলিশ বক্সের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ
বাংলাদেশ ও ইরাকের মধ্যে ভিসা অব্যাহতি সমঝোতা সই
বাংলাদেশ ও ইরাকের মধ্যে ভিসা অব্যাহতি সমঝোতা সই
সর্বাধিক পঠিত
অপুর সঙ্গে দ্বিতীয় ইনিংস, কে এই আদনান
অপুর সঙ্গে দ্বিতীয় ইনিংস, কে এই আদনান
এক জেলাতেই ৭১০ কোটি টাকার সুপারি, চাষে লাভবান কৃষক
এক জেলাতেই ৭১০ কোটি টাকার সুপারি, চাষে লাভবান কৃষক
শনিবার জবিতে আবারও গরুভোজের আয়োজন, থাকছে কাওয়ালি সন্ধ্যা
শনিবার জবিতে আবারও গরুভোজের আয়োজন, থাকছে কাওয়ালি সন্ধ্যা
আমাদের দলের প্রার্থী পাস না করলে সেই ইউনিয়নে কোনও কাজ হবে না: চিফ হুইপ
আমাদের দলের প্রার্থী পাস না করলে সেই ইউনিয়নে কোনও কাজ হবে না: চিফ হুইপ
কক্সবাজারে টুপটুপ রিসোর্টে আগুনের সূত্রপাত যেভাবে
কক্সবাজারে টুপটুপ রিসোর্টে আগুনের সূত্রপাত যেভাবে