আসন্ন বাজেটে সকল তামাকজাত পণ্যে উচ্চহারে কর আরোপের দাবি জানিয়েছে তামাক বিরোধী বিভিন্ন সংগঠন।
রবিবার জাতীয় রাজস্ব বার্ডের (এনবিআর) সামনে আয়োজিত এক মানববন্ধনে এ দাবি জানানো হয়। তামাক বিরোধী সংগঠন ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন, ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন, এসিডি, ইপসা, সীমান্তিক, উবিনীগ, ইসি বাংলাদেশ, ডব্লিউবিবি ট্রাস্ট, বাংলাদেশ তামাক বিরোধী জোট, প্রত্যাশা, নাটাব, এইড ফাউন্ডেশন, একলাব, টিসিআরসি এবং প্রজ্ঞা যৌথভাবে এ কর্মসূচির আয়োজন করে।
মানবন্ধনে অংশ নেন- হেলাল আহমেদ, সৈয়দা অনন্যা রহমান, অদুত রহমান ইমন, আব্দুল আলিম, আব্দুল কাদের, হাসিবুল হক, রোকেয়া বেগম প্রমুখ।
মানববন্ধন শেষে তামাকবিরোধী সংগঠনগুলোর প্রতিনিধি দল অর্থমন্ত্রী বরাবর একটি স্মারকলিপি এনবিআর চেয়ারম্যান নজিবুর রহমানের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
সংগঠনগুলোর দাবির মধ্যে- অবিলম্বে তামাকের বিদ্যমান শুল্ক-কাঠামোর পরিবর্তে কার্যকর তামাক শুল্কনীতি প্রণয়ন করা, মাথাপিছু আয়বৃদ্ধি ও মূল্যস্ফীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কার্যকর শুল্কারোপের মাধ্যমে প্রতিবছর তামাকপণ্যের দাম বাড়ানো, সিগরেটের প্যাকেট প্রতি খুচরা মূল্যের কমপক্ষে ৭০ শতাংশ, গুল-জর্দায় ৭০ শতাংশ ও বিড়ির ৪০ শতাংশ পরিমাণ স্পেসিফিক এক্সাইজ ট্যাক্স নির্ধারণ, তামাকের ওপর আরোপিত স্বাস্থ্য উন্নয়ন সারচার্জ বাড়িয়ে ২ শতাংশ নির্ধারণ করা।
বাংলাদেশে ৪৩ শতাংশ অর্থাৎ প্রায় ৪ কোটি ১৩ লাখ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ তামাক সেবন করেন, যার মধ্যে ২৩ শতাংশ বা ২ কোটি ১৯ লাখ ধূমপানের মাধ্যমে তামাক ব্যবহার করেন এবং ২৭ দশমিক ২ শতাংশ বা ২ কোটি ৫৯ লাখ ধোঁয়াবিহীন তামাক ব্যবহার করেন। বাংলাদেশে ১৩ থেকে ১৫ বছর বয়সের প্রায় ৭ শতাংশ কিশোর-কিশোরী তামাকপণ্য ব্যবহার করে যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।
তামাক ব্যবহারজনিত রোগে দেশে প্রতিবছর প্রায় ১ লাখ মানুষ অকালে মারা যান। তামাক খাত থেকে সরকার যে পরিমাণ রাজস্ব পায় তামাক ব্যবহারের কারণে অসুস্থ রোগীর চিকিৎসায় সরকারকে স্বাস্থ্যখাতে তার দ্বিগুণ ব্যয় করতে হয়।
/এসআই/এসএনএইচ/








