দেশে মূল্য সংযোজন কর (মূসক/ভ্যাট) নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠান বা কোম্পানির সংখ্যা ৮ লাখ ৪০ হাজার হলেও মাত্র ৩২ হাজার প্রতিষ্ঠান নিয়মিত ভ্যাট দেয় বলে জানিয়েছেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) অতিরিক্ত কমিশনার জাকির হোসেন।
বুধবার রাজধানীর কাকরাইলে ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ (আইডিইবি) ভবনে আয়োজিত এক সেমিনারে তিনি এ তথ্য জানান। মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২ এর অধীনে উৎসে মূসক কর্তন বিষয়ক ওই সেমিনারের আয়োজন করে এনবিআর।
সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনকালে জাকির হোসেন বলেন, বিদ্যমান আইনে একই পণ্যের ওপর বিভিন্ন হারে কর দেওয়ার জটিলতা তৈরি হয়েছে। তবে নতুন ভ্যাট আইন কার্যকর হলে এ সমস্যা দূর হবে। ফলে প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ভ্যাট প্রদানে অনাগ্রহ অনেকাংশে দূর হবে বলে জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, নতুন আইনে করদাতাদের ভ্যাট পরিশোধে উৎসাহী করতে ‘অনার কার্ড’ দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। এছাড়া নতুন আইনে ভ্যাট পদ্ধতিও অনেক সহজ হওয়ায় করদাতা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ভ্যাট প্রদানের প্রবণতা বৃদ্ধি পাবে।
সেমিনারে বিভিন্ন প্রশ্নের জাবাবে এনবিআর সদস্য (মূসক নীতি) ব্যারিষ্টার জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, ভ্যাট সংগ্রহ সহজ ও সঠিক পরিমাণ ভ্যাট সংগ্রহ নিশ্চিত করতেই নতুন ভ্যাট আইন চালু করা হচ্ছে। এই আইন কর ফাঁকির সুযোগ কমিয়ে সবার জন্য সমান সুযোগ তৈরি করবে।
তিনি আরও বলেন, নতুন ভ্যাট আইন কার্য্কর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এনবিআরের ওয়েব সাইট হালনগা করা হবে। ওয়বসাইট থেকে ভ্যাট সংক্রান্ত সকল তথ্য ও সমস্যার সমাধান পাওয়া যাবে। একই সঙ্গে নতুন ভ্যাট আইনের আওতায় ভ্যাট বিষয়ক একটি কল সেন্টার করা হবে। যেখানে গ্রহকরা ভ্যাট সংক্রান্ত যে কোনও তথ্য ও সমস্যার তাৎক্ষণিক সমাধান পাবেন বলেও জানান তিনি।
আগামী ১ জুলাই থেকে বিদ্যমান ভ্যাট আইন-১৯৯১ পরিবর্তন করে নতুন ভ্যাট আইন কার্য্কর হবে। নতুন ভ্যাট আইনের আওতায় ভ্যাটদাতাকে অনলাইনে ভ্যাট রিটার্ন প্রদান, ভ্যাট প্রদানসহ ভ্যাট সংক্রান্ত সকল সেবা পাওয়া যাবে।
/এসএনএইচ/








