ভ্যাট রিটার্ন দেওয়া যাবে ৯ জুন পর্যন্ত

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ১৮:৫৪, মে ২৬, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ২১:০৬, মে ২৬, ২০২০

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে সরকার ঘোষিত সাধারণ ছুটির কারণে চলতি বছরের মার্চ ও এপ্রিল মেয়াদের ভ্যাট রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে।

যারা মার্চ ও এপ্রিল মাসের রিটার্ন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দাখিল করতে পারেননি, তারা জরিমানা ও সুদ ছাড়াই আগামী ৯ জুনের মধ্যে দাখিল করতে পারবেন। মঙ্গলবার (২৬ মে) এ বিষয়ে একটি বিশেষ আদেশ জারি করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।

মূসক নীতি বিভাগের সদস্য মো. মাসুদ সাদিকের সই করা আদেশে বলা হয়েছে, ‘করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব প্রতিরোধে সরকার আগামী ৩০ মে পর্যন্ত সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে। এ পরিস্থিতিতে দেশের অধিকাংশ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান মার্চ ও এপ্রিল কর মেয়াদের রিটার্ন যথাসময়ে দাখিল করতে পারেনি।’

‘মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন-২০১২’-এর ধারা ৬৪-এর উপ-ধারা (১) এবং মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক বিধিমালা-২০১৬-এর বিধি ৪৭-এর উপ-বিধি (১) অনুযায়ী প্রত্যেক নিবন্ধিত ব্যক্তিকে মূসক ৯(১) ফরমের মাধ্যমে প্রত্যেক কর মেয়াদের জন্য মেয়াদ সমাপ্তির অনধিক ১৫ দিনের মধ্যে মূল্য সংযোজন কর দাখিলপত্র প্রদানের বাধ্যবাধকতা রয়েছে।’

‘এছাড়া মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২-এর ধারা ৮৫-এর উপ-ধারা (১) অনুযায়ী নির্ধারিত তারিখের মধ্যে মূসক বা টার্নওভার কর দাখিলপত্র পেশ না করার ব্যর্থতা বা অনিয়মের ক্ষেত্রে ১০ হাজার টাকা জরিমানার বিধান রয়েছে’, বলে বিশেষ আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।

আদেশে আরও বলা হয়, ‘মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২-এর ধারা ১২৭ অনুযায়ী কোনও করদাতা নির্ধারিত তারিখের মধ্যে কমিশনারের কাছে প্রদেয় কর পরিশোধে ব্যর্থ হলে নির্ধারিত তারিখের পরবর্তী দিন থেকে পরিশোধের দিন পর্যন্ত প্রদেয় করের পরিমাণের ওপর মাসিক দুই শতাংশ সরল হারে সুদ পরিশোধ করতে হয়। তবে জনস্বার্থে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বৈশ্বিক  আপৎকালীন সময়ে যেসব প্রতিষ্ঠান শুধু ২০২০ সালের মার্চ ও এপ্রিল সময়ে দাখিলপত্র যথাসময়ে পেশ করেনি, সেসব প্রতিষ্ঠানের দাখিলপত্র পেশের সময়সীমা ৯ জুন পর্যন্ত বাড়ানো হলো।’

 

/জিএম/এপিএইচ/এমওএফ/

লাইভ

টপ