লিফটকে অত্যাবশ্যক ‘ক্যাপিটাল মেশিনারি ক্যাটাগরিতে’ রেখে আগের ১১ শতাংশ শুল্কহার বহাল রাখার দাবি জানিয়েছে লিফট আমদানিকারদের সংগঠন বাংলাদেশ এলিভেটর একসেলটরস অ্যান্ড লিফট ইম্পোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বেলিয়া)।
সংগঠনটি থেকে বলা হয়, হঠাৎ করেই ২০২২-২০২৩ অর্থবছরের বাজেটে স্থানীয় শিল্পকে সুরক্ষা দেওয়ার প্রত্যয়ে আমদানি পর্যায়ে বিদ্যমান শুল্ক ১১ শতাংশ থেকে বৃদ্ধি করে ৩১ শতাংশ করা আত্মঘাতী হবে বলে প্রতীয়মান হচ্ছে।
মঙ্গলবার (১৪ জুন) রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে প্রস্তাবিত বাজেটে লিফটের ওপর আরোপিত অতিরিক্ত আমদানি শুল্ক বৃদ্ধির প্রতিবাদে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে বেলিয়া’র সভাপতি এমদাদ উর রহমান বলেন, ‘লিফট আমদানি-নির্ভর পণ্য। যারা আমদানি করে তাদেরকে এখানে লিফট এনে সংস্থাপন করতে হয়। এক বছরের সার্ভিস দিতে হয়। পরবর্তী সময়ে রক্ষণাবেক্ষণ করতে হয়। এই শিল্পের বয়স ৫০ বছর। এটিকে কেবলমাত্র আমদানিনির্ভর পণ্য হিসেবে দেখলে চলবে না। পৃথিবীর সব দেশেই লিফট প্রস্তুতকারীদের জন্য নীতিমালা রয়েছে। আমাদের দেশেও নীতিমালা প্রয়োজন।’
তিনি আরও বলেন, ‘হঠাৎ করে স্থানীয় শিল্পকে রক্ষার জন্য শুল্ক বাড়িয়ে দিলে বাজারে অসম প্রতিযোগিতা সৃষ্টি হবে। একাধিক লিফট আমদানিকার প্রতিষ্ঠান যদি দেউলিয়া হয়ে যায়। তখন যারা বিভিন্ন ভবনে লিফট সরবরাহ করেছে, সেসব ভবনের মানুষের নিরাপত্তা কে দেখবে? লিফটের রক্ষণাবেক্ষণ কে করবে?’
বেলিয়ার সাধারণ সম্পাদক শফিউল আলম উজ্জ্বল বলেন, ‘আমরা উদ্বিগ্ন। এই শিল্প মুখ থুবড়ে পড়বে। আগে আমরা ১১ শতাংশ শুল্ক দিতাম। ৫ শতাংশ শুল্ক বাড়ানোয় এবং ক্যাপিট্যাল মেশিনারিজ থেকে বাদ দেওয়ায় এখন ৩১ শতাংশ করভার বহন করতে হবে। অর্ডার পাওয়ার পর ইউরোপসহ বিভিন্ন দেশ থেকে লিফট আনতে ৬ থেকে ৮ মাস লাগে। অনেক আগে অর্ডার নেওয়া হয়। শুল্ক বাড়ানো হলে এখন আমাদের অতিরিক্ত ২০ শতাংশ অর্থ দিতে হবে। এতে আমাদের প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ হওয়ার উপক্রম হবে।’









