X
বুধবার, ২৯ জুন ২০২২
১৫ আষাঢ় ১৪২৯

কোটিপতি বাড়লো কত

আপডেট : ২২ জুন ২০২২, ১৯:১০

দেশে বেড়েছে কোটি টাকার বেশি আমানতকারীদের হিসাব। গত এক বছরে অন্তত এক কোটি টাকা ছিল এমন ব্যাংক হিসাবের সংখ্যা বেড়েছে ৯ হাজার ৩২৫টি। মার্চ শেষে কোটি টাকার মোট হিসাবের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৩৫৯৭টিতে। বাংলাদেশ ব্যাংকের ২০২২ সালের মার্চভিত্তিক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালের মার্চ পর্যন্ত ব্যাংকিং খাতে মোট আমানতকারী ছিল ১২ কোটি ৭৩ লাখ ৫২ হাজার ৮৯৩। যাদের হিসাবে জমা ছিল ১৫ লাখ ১৪ হাজার ৮৯৫ কোটি টাকা।

২০২১ সালে আমানতকারী ছিল ১১ কোটি ৮৫ লাখ ৫২ হাজার। জমা ছিল ১৩ লাখ ৮৪ হাজার ৩২৫ কোটি টাকা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, ২০২১ সালের মার্চ শেষে ব্যাংকগুলোতে কোটি টাকার বেশি আমানতের হিসাব ছিল ৯৪ হাজার ২৭২টি। ২০২২ সালের মার্চে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৩৫৯৭টিতে। এই হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে কোটিপতি হিসাব বেড়েছে ৯ হাজার ৩২৫টি।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২০২০ সালের মার্চে দেশে যখন প্রথম করোনা হানা দেয় তখন ব্যাংক খাতে কোটি টাকার বেশি আমানতধারী হিসাব ছিল ৮২ হাজার ৬২৫টি। মহামারি চলাকালে ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরেই কোটিপতি হিসাবের ওই অঙ্ক এক লাখ ছাড়ায়।

২০২২ সালের মার্চ শেষে তা দাঁড়ায় ১ লাখ ৩৫৯৭টিতে। এ হিসাবে মহামারির ২৪ মাসে দেশে কোটিপতি হিসাব বেড়েছে ২০ হাজার ৯৭২টি।

২০২২ সালের মার্চের তথ্য অনুযায়ী, এক কোটি থেকে পাঁচ কোটি টাকার আমানতকারীর সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৮১ হাজার ৩৪৪টি। যাদের হিসাবে জমা টাকার পরিমাণ ১ লাখ ৬৭ হাজার ৬৭৯ কোটি টাকা।

পাঁচ কোটি থেকে ১০ কোটির মধ্যে রয়েছে ১১ হাজার ৪৮৭টি হিসাব। টাকার পরিমাণ ৮১ হাজার ৬৪৩ কোটি টাকা। ১০ কোটি থেকে ১৫ কোটি টাকার হিসাব রয়েছে ৩ হাজার ৮৬৫টি, ১৫ কোটি থেকে ২০ কোটির মধ্যে ১ হাজার ৭৭১টি, ২০ কোটি থেকে ২৫ কোটির মধ্যে ১ হাজার ১৫৫ জন, ২৫ কোটি থেকে ৩০ কোটির মধ্যে হিসাব রয়েছে ৮৮৬ জনের, ৩০ কোটি থেকে ৩৫ কোটি টাকার মধ্যে ৪৫৮ জন এবং ৩৫ কোটি থেকে ৪০ কোটির মধ্যে ২৯০ জন আমানতকারীর হিসাব রয়েছে।

এ ছাড়া ৪০ কোটি থেকে ৫০ কোটি টাকার অ্যাকাউন্ট সংখ্যা ৬৪৪টি এবং ৫০ কোটি টাকার বেশি আমানত রাখা ব্যক্তির সংখ্যা বেড়ে ১ হাজার ৬৯৭-তে দাঁড়িয়েছে।

প্রসঙ্গত, কোটি টাকার হিসাব মানেই কোটিপতি ব্যক্তির হিসাব, বিষয়টি এমনও নয়। কারণ, ব্যাংকে এক কোটি টাকার বেশি অর্থ রাখার তালিকায় ব্যক্তি ছাড়া অনেক প্রতিষ্ঠানও রয়েছে। আবার ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান কতটি ব্যাংক হিসাব খুলতে পারবে, তারও নির্দিষ্ট সীমা নেই। ফলে এক প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তির একাধিক হিসাবও রয়েছে। এরমধ্যে সরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সংস্থার কোটি টাকার হিসাবও রয়েছে।

জানা গেছে, স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে দেশে কোটিপতি আমানতকারী ছিল ৫ জন। ১৯৭৫ সালে ৪৭ জনে উন্নীত হয়। ১৯৮০ সালে কোটিপতি হিসাব ছিল ৯৮টি। এরপর ১৯৯০ সালে ৯৪৩ জন, ১৯৯৬ সালে ২ হাজার ৫৯৪ জন, ২০০১ সালে ৫ হাজার ১৬২, ২০০৬ সালে ৮ হাজার ৮৮৭ এবং ২০০৮ সালে ছিল ১৯ হাজার ১৬৩ জন।

২০২০ সালে ডিসেম্বর শেষে দাঁড়ায় ৯৩ হাজার ৮৯০টিতে। ২০২১ সালের ডিসেম্বরে কোটিপতি হিসাব দাঁড়ায় ১ লাখ ১৯৭৬টিতে।

/জিএম/এফএ/এমওএফ/
বাংলা ট্রিবিউনের সর্বশেষ
নির্মল রঞ্জন গুহের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক
নির্মল রঞ্জন গুহের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে চাকরির সুযোগ
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে চাকরির সুযোগ
স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি নির্মল রঞ্জন গুহ আর নেই
স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি নির্মল রঞ্জন গুহ আর নেই
চীনের পাঁচ কোম্পানিকে নিষিদ্ধ তালিকাভুক্ত করলো যুক্তরাষ্ট্র
চীনের পাঁচ কোম্পানিকে নিষিদ্ধ তালিকাভুক্ত করলো যুক্তরাষ্ট্র
এ বিভাগের সর্বশেষ
নন ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যানদের জন্য নতুন নির্দেশনা
নন ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যানদের জন্য নতুন নির্দেশনা
দুগ্ধ উৎপাদন খামারিদের ঋণ পরিশোধের সময় বাড়লো
দুগ্ধ উৎপাদন খামারিদের ঋণ পরিশোধের সময় বাড়লো
আর্থিক প্রতিষ্ঠানের গ্রাহকদের অভিযোগ দ্রুত নিষ্পত্তির নির্দেশ
আর্থিক প্রতিষ্ঠানের গ্রাহকদের অভিযোগ দ্রুত নিষ্পত্তির নির্দেশ
শনিবার ব্যাংক খোলা
শনিবার ব্যাংক খোলা
ঋণ পরিশোধে আবারও ছাড় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের
ঋণ পরিশোধে আবারও ছাড় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের