ইউক্রেন যুদ্ধের জেরে রাশিয়া থেকে সোনা আমদানি নিষিদ্ধ করতে যাচ্ছে যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, জাপান ও কানাডা। এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে রাশিয়ায় উত্তোলিত নতুন বা পরিশোধিত সোনা আমদানি করবে না এই চারটি দেশ। এর ফলে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে দেশের জুয়েলারি ব্যবসায়ীদের মধ্যে।
গত ২৬ জুন জার্মানিতে বিশ্বের শিল্পোন্নত দেশগুলোর জোট জি ৭-এর নেতাদের বৈঠকের আগে ব্রিটিশ সরকারের বিবৃতিতে বলা হয়, রাশিয়ার উত্তোলিত নতুন অথবা পরিশোধিত সোনার ওপর শিগগিরই চার দেশের আমদানি নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে।
রাশিয়ার সোনায় চার দেশের নিষেধাজ্ঞায় বাংলাদেশের বাজারে প্রভাবের বিষয়ে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতির (বাজুস) সাধারণ সম্পাদক দিলীপ কুমার আগারওয়ালা সোমবার (২৭ জুন) বলেন, ‘আমরা দেশি-বিদেশি পত্রপত্রিকার মাধ্যমে খবরটি জেনেছি। কোনও দেশ থেকে সোনা আমদানির নিষেধাজ্ঞা এটিই প্রথম ঘটনা। এর আগে বিশ্ব এ ধরনের পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়নি। এর ফলে প্রাথমিকভাবে রাশিয়ার রফতানিকারকরা ক্ষতির মুখে পড়বেন। তবে বাংলাদেশে কী ধরনের প্রভাব পড়বে তা বলা যাচ্ছে না। গত এক মাসের আন্তর্জাতিক সোনার বাজারের তথ্য দেখে আমরা বলতে পারি— এখনই দেশের বাজারে সোনার দাম বাড়ার সম্ভাবনা নেই।’
প্রসঙ্গত, বর্তমানে দেশের বাজারে ভালো মানের ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) সোনা কিনতে খরচ পড়ছে ৭৯ হাজার ৫৪৮ টাকা। ২১ ক্যারেটের সোনার দাম ৭৫ হাজার ৯৩৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা ৬৫ হাজার ৮৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরির দাম ৫৪ হাজার ২৩৮ টাকা। আন্তর্জাতিক বাজারে ২৭ জুন প্রতি আউন্স সোনা আগের দিনের চেয়ে ৭ দশমিক ৩৮ ডলার বেড়ে এক হাজার ৮৩৮ ডলারে কেনাবেচা হচ্ছে। তবে গত এক মাসের তুলনা করলে সোনার দাম প্রায় দেড় শতাংশ কম রয়েছে।









