সকালে স্বর্ণের দাম বাড়ানোর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সন্ধ্যায় দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) দাম কমে যাওয়ায় শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় জরুরি বৈঠক করে নতুন দাম নির্ধারণ করে সংগঠনটি।
বাজুসের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২২ ক্যারেট স্বর্ণের প্রতি ভরির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা এবং ২১ ক্যারেট স্বর্ণের প্রতি ভরির দাম ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৩ টাকা। এই দাম আগামীকাল রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকে কার্যকর হবে।
এর আগে শনিবার সকাল ১০টা থেকে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের প্রতি ভরির দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা, যা আগের দিনের তুলনায় ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বেশি ছিল। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ছিল ২ লাখ ৫৪ হাজার ৪৫০ টাকা। একইভাবে শনিবার সকালে ২১ ক্যারেট স্বর্ণের প্রতি ভরির দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৫০ হাজার ১৯২ টাকা।
জরুরি সভায় সিদ্ধান্ত
বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, তেজাবি স্বর্ণের মূল্য হ্রাস পাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং শনিবার সন্ধ্যা ৭টায় একটি জরুরি সভা করে। সভায় সর্বসম্মতিক্রমে স্বর্ণ ও রৌপ্য অলংকারের নতুন মূল্য নির্ধারণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
প্রতি গ্রাম স্বর্ণ ও রৌপ্য অলংকারের নতুন দাম
বাজুসের ঘোষণায় প্রতি গ্রাম স্বর্ণালংকারের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে—২২ ক্যারেট (হলমার্ককৃত): ২২ হাজার ১৯০ টাকা। ২১ ক্যারেট (হলমার্ককৃত): ২১ হাজার ১৮০ টাকা।
এছাড়া প্রতি গ্রাম রৌপ্য অলংকারের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে—২২ ক্যারেট: ৫৪৫ টাকা। ২১ ক্যারেট: ৫২০ টাকা। ১৮ ক্যারেট: ৪৪৫ টাকা। সনাতন পদ্ধতি: ৩৩৫ টাকা।
পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এসব দাম কার্যকর থাকবে বলে জানানো হয়েছে।
ভ্যাট আদায়ের নির্দেশ
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, স্বর্ণ ও রৌপ্য অলংকার বিক্রির ক্ষেত্রে সরকার কর্তৃক নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ক্রেতাদের কাছ থেকে আদায় করে তা সরকারি কোষাগারে জমা দিতে হবে।
বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিংয়ের চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীন স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।









