বড়পুকুরিয়ার কয়লা চুরির অধিকতর তদন্তে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের একজন মহাপরিচালককে প্রধান করে কমিটি গঠন করা হয়েছে। রবিবার রাতে জ্বালানি সচিব আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনীম কমিটি গঠনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তবে কমিটির সদস্য সম্পর্কে কিছু জানাতে রাজি হননি তিনি।
জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানায়, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক (প্রশাসন)কে প্রধান করে নতুন এই কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিতে বিদ্যুৎ এবং জ্বালানি বিভাগের যুগ্মসচিব পদ মর্যাদার আরও দুজন কর্মকর্তা রয়েছেন। তবে রাতে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের মহাপরিচালক (প্রশাসন) খলিলুর রহমানের সঙ্গে একাধিক বার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।
পেট্রোবাংলার সঙ্গে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)-এর পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ও এখন কয়লা গায়েবের ঘটনা তদন্ত করবে। গত সোমবার সচিবালয়ে কয়লার বিষয়ে জ্বালানি প্রতিমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওইদিন খনিতে সৃষ্ট পরিস্থিতি সমাধানে একটি উচ্চ পযায়ের কমিটি গঠন করে এই সমস্যা সমাধানের নির্দেশ দেন তিনি।
প্রসঙ্গত, বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি থেকে চাহিদামতো কয়লা না পাওয়ায় গত রবিবার (২২ জুলাই) রাত ১০টা ২০ মিনিটে বিদ্যুৎকেন্দ্রটি বন্ধ করে দেওয়া হয়। এর আগে বিদ্যুৎকেন্দ্রটি বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণ যাচাই করতে গিয়ে বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি থেকে এক লাখ ৪৪ হাজার টন কয়লা গায়েব হয়ে যাওয়ার তথ্য গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়। এ খবরে কয়লা খনির দুই কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার ও দুই জনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ঘটনায় তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটিও গঠন করে পেট্রোবাংলা। ইতোমধ্যে ওই কমিটি তদন্ত রিপোর্ট দিয়েছে। এছাড়া বড়পুকুরিয়া খনি কর্তৃপক্ষ চুরির অভিযোগে মামলা দায়ের করেছে।








