বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেছেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানির দ্রুত প্রসারে গবেষণা ও উন্নয়নের ক্ষেত্রে একক সমন্বিত পদ্ধতির প্রয়োজন। বাংলাদেশের মতো ঘনবসতিপূর্ণ দেশে নবায়নযোগ্য জ্বালানি হতে বিদ্যুৎ উৎপাদনে জমি, বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন মূল্য, সাশ্রয়ী মূল্যের স্টোরেজ সিস্টেম ও প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতাই বড় বাধা। এসব পেরিয়েও বাংলাদেশ নবায়নযোগ্য উৎস হতে ৭৬৬.৬৮ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করছে।
আজ মঙ্গলবার (২৪ আগস্ট) অনলাইনে ইন্টারন্যাশনাল সোলার অ্যালায়েন্সের এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের আঞ্চলিক কমিটির তৃতীয়সভায় প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপপ্রধান তথ্য কর্মকর্তা মীর মোহম্মদ আসলাম উদ্দিনের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
ইন্টারন্যাশনাল সোলার এলায়েন্স (আইএসএ)-এর মহাপরিচালক অজয় মাথুরের সভাপতিত্বে অন্যান্যের মাঝে অস্ট্রেলিয়ার জ্বালানি ও নিঃসরণ হ্রাসমন্ত্রী অ্যাঙ্গাসটেলর এমপি কম্বোডিয়া জ্বালানিমন্ত্রী সুই সেম, ভারতের বিদ্যুৎ এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানিমন্ত্রী আরকে সিং, মালদ্বীপের পরিবেশ ও জ্বালানিমন্ত্রী ড. হুসাইন রাশেদ হাসান ও ওমানের পরিবেশ ও জলবায়ু বিষয়কমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালেম বিন আল-তোবি বক্তব্য রাখেন।
বাংলাদেশের বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের জন্য সোলার হোম সিস্টেম ও সোলার মিনি গ্রিড নামের কিছু উদ্ভাবনী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল। এখন ৬০ লাখ সোলার হোম সিস্টেমের মাধ্যমে মোট জনসংখ্যার ১২ ভাগকে বিদ্যুৎ দেওয়া হচ্ছে। জমির স্বল্পতার জন্য দেশে বড় আকারের সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন কঠিন। এ কারণে ভাসমান সৌর এবং ছাদ-সৌর’র মতো সমাধানগুলোর দিকে যেতে হচ্ছে। ছাদে সৌরবিদ্যুৎকে উৎসাহিত করতে নেট মিটারিং নির্দেশিকাও প্রণয়ন করা হয়েছে।
সভায় আগামী পাঁচ বছরের জন্য কৌশলগত পরিকল্পনা, 'ওয়ান সান ওয়ান ওয়ার্ল্ড ওয়ান গ্রিড' উদ্যোগের অগ্রগতি, ২০৩০ সালের মধ্যে সৌর বিনিয়োগে ১ ট্রিলিয়ন ডলার সংগ্রহের জন্য রোডম্যাপ- ইত্যাদি আলোচনা করা হয়।









