বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেছেন, শরীয়তপুর-১ নম্বর কূপ খননের লক্ষ্যে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান বাপেক্স আজ সফলভাবে বিজয়-১০ ‘রিগ মাস্ট’ স্থাপন করেছে। আশা করছি, নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহ থেকে শুরু হবে খনন কাজ। খনন শেষে এই কূপ থেকে দৈনিক ১০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যোগ হওয়ার সম্ভাবনা আছে।
বৃহস্পতিবার (২০ অক্টোবর) নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে প্রতিমন্ত্রী এই তথ্য জানান।
পোস্টে তিনি আরও বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান সরকার গত একযুগে এক হাজার মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করেছে। সামনের দিনগুলোতে দেশের অর্থনীতি ও শিল্পায়নকে আরও গতিশীল করতে আমাদের বাড়তি গ্যাস প্রয়োজন। সেই চাহিদা পূরণে আমরা দেশীয় জ্বালানি অনুসন্ধান ও উৎপাদনকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছি। ২০২৫ সালের মধ্যে আমরা আরও ৪৬টি নতুন অনুসন্ধান, উন্নয়ন ও ওয়ার্কওভার কূপ খনন করবো। আশা করছি, এসব কূপ থেকে দৈনিক ৬১৮ মিলিয়ন ঘনফুটের বেশি গ্যাস পাওয়া যাবে।’
উল্লেখ্য,চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলায় প্রাকৃতিক গ্যাসের সন্ধান পাওয়া যায়। এরপরই সেখানে কূপ খননের সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেড (বাপেক্স)।
জানা যায়, ২০১৪-১৫ অর্থবছরে মেঘনা নদীর তীরে শরীয়তপুরের গোসাইরহাট উপজেলার কুচাইপট্টি থেকে খুলনা পর্যন্ত বিশাল এলাকাজুড়ে দ্বিমাত্রিক ভূকম্পন সমীক্ষা (টুডি সিসমিক জরিপ) করা হয়। ওই জরিপের ফলাফলে গ্যাসের সন্ধান পাওয়া যায়।
প্রসঙ্গত, রিগ (খনন যন্ত্র) ভারী যন্ত্রাংশের সমন্বয়ে গঠিত। এটির খণ্ড খণ্ড অংশ যানবাহনে করে কূপ খননের এলাকায় নিয়ে আসা হয়। এরপর এটি ক্রেন দিয়ে তুলে জোড়া লাগানো হয়৷ ‘রিগ মাস্ট’ অর্থ হচ্ছে রিগের সবচেয়ে ওপরের ভারী অংশ। এটি শোয়ানো অবস্থায় এনে পরে যেখানে কূপ খনন করা হবে, সেখানে সোজা করে দাঁড় করানো হয়।









