তেল আমদানি ও বিক্রিতে বেসরকারি খাত, লাভ-ক্ষতি কার?

সঞ্চিতা সীতু
১২ আগস্ট ২০২৬, ১৮:১০আপডেট : ১২ আগস্ট ২০২৬, ১৮:১৪

প্রচলিত ধারার বাইরে গিয়ে জ্বালানি তেল আমদানি, পরিবহন এবং বিক্রির সুযোগ বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের হাতে দিতে যাচ্ছে সরকার। এ নিয়ে এরইমধ্যে সরকার একটি নীতিমালাও তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, এই নীতিমালার আওতায় বেসরকারি প্রতিষ্ঠান তেল আমদানি করে আনার পর সরকারের নির্ধারিত দামে ভোক্তার কাছে বিক্রি করবে। যেখানে এখন সরাসরি আমদানি এবং বিপণনের কাজ সরকারি প্রতিষ্ঠান করে থাকে।

এই উদ্যোগের খবরে জ্বালানি তেল নিয়ে অস্থিরতা কমার আশাবাদ যেমন তৈরি হয়েছে। একইসঙ্গে প্রশ্ন উঠেছে, দেশের জাতীয় জ্বালানিসম্পদ এভাবে বেসরকারি খাতে ছেড়ে দিলে ভোক্তার স্বার্থ শেষ পর্যন্ত কতটা অক্ষুণ্ন থাকবে।

দেশে এখন গ্রাহক পর্যায়ে ডিজেল, অকটেন, পেট্রোল, কেরোসিন, জেট ফুয়েল আংশিক ফার্নেস অয়েল, বিটুমিন ছাড়াও কিছু পেট্রোলিয়াম পণ্য আমদানি করে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)। এসব তেল বিপণন করে পদ্মা, মেঘনা এবং যমুনা নামের তিনটি সরকারি কোম্পানি। এদের কাছ থেকে জ্বালানি তেল কিনে বিক্রি করে বেসরকারি পেট্রোলপাম্প মালিকরা।

অবশ্য এখন আমদানি পর্যায়ে তেল পরিবহন এবং দেশের অভ্যন্তরে পরিবহনের কাজটা করে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান। একই সঙ্গে সামান্য কিছু পেট্রোলপাম্প সরকারি ব্যবস্থাপনায় চললেও অধিকাংশই চলে বেসরকারি মালিকানায়। ফলে পরিবহন এবং গ্রাহক পর্যায়ে বিক্রির দায়িত্বে বেশিরভাগই বেসরকারি প্রতিষ্ঠানই।

বেসরকারি উদ্যোগে জ্বালানি তেল আমদানি একেবারে নতুন নয়

বাংলাদেশে বেসরকারি উদ্যোগে জ্বালানি তেল আমদানি একেবারে নতুন নয়। তবে ব্যাপকভাবে একেবারে তৃণমূলে বিপণনের আলোচনাটা নতুন। এর আগেও বেসরকারি বিদ্যুৎ কেন্দ্রর উদ্যেক্তারা দেশে ফার্নেস অয়েল আমদানি করেছে। এর বাইরে এখনও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান কনডেনসেট প্রক্রিয়াজাত করে বিভিন্ন পেট্রোলিয়াম পণ্য উৎপাদন করে বিপিসির কাছে বিক্রি করে।

এছাড়া দেশের বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো নির্দিষ্ট হারে মার্জিন নিয়ে তেল আমদানি করে নিজেদের বিদ্যুৎকেন্দ্রের ডিপোতে সংরক্ষণ করে। একই সঙ্গে বেসরকারি যে ফ্যাকশেনেশন প্ল্যান্ট রয়েছে তারাও সময়ে সময়ে কনডেনসেট আমদানি করে পেট্রোল, অকটেন, ডিজেল এবং কেরোসিন উৎপাদন করে তা বিপিসির কাছে বিক্রি করে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে,  এই ধরনের নীতি তৈরির ঘটনা এই প্রথম নয়। ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারও একই নীতি করার উদ্যোগ নিয়েছিল। তবে শেষ পর্যন্ত তা বাস্তবায়ন সম্ভব হয়নি।

সম্প্রতি দেশের কয়েকটি কোম্পানি তেল আমদানি ও বিপণন করার আগ্রহ প্রকাশ করলে সরকার ১১ সদস্যের একটি কমিটি করে। ওই কমিটি বেসরকারি খাতে এ ধরনের কাজ করার বিষয়ে একটি নীতিমালা তৈরি করছে।

বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রস্তাব

জ্বালানি বিভাগ সূত্র জানায়, বেসরকারি পর্যায়ে জ্বালানি তেল আমদানি ও বিপণনের অনুমতি চেয়ে চারটি ব্যবসায়িক গ্রুপ সরকারের কাছে আবেদন করেছে। এর মধ্যে রয়েছে টিকে গ্রুপ, মেঘনা গ্রুপ, বসুন্ধরা গ্রুপ। এর মধ্যে বসুন্ধরা বাদে বাকি তিনটি কোম্পানি দেশে রিফাইনারি বসিয়ে ক্রুড অয়েল আমদানি করে তা পরিশোধনের মাধ্যমে বিক্রির অনুমতি চেয়েছে বলে জানা গেছে। শুধু বসুন্ধরা গ্রুপ পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানির বিষয়ে আবেদন করেছে। এরপর সরকার কমিটি গঠন করেছে। 

দেশে তেল পরিশোধনে সাশ্রয়ের সুযোগ

বাংলাদেশে পেট্রোল, অকটেন, ডিজেল এবং কেরোসিনের চাহিদা রয়েছে বছরে প্রায় ৬৫ লাখ মেট্রিক টন। এরমধ্যে বছরে ১২ থকে ১৫ লাখ টন তেল দেশে পরিশোধন করা হয়। বাকি চাহিদা পূরণ হয় সরাসরি পরিশোধিত তেল আমদানির মাধ্যমে। সংশ্লিষ্টদের দাবি, অপরিশোধিত তেল বাইরে থেকে এনে দেশে পরিশোধন করা হলে প্রতি লিটারে অন্তত ১০ টাকা করে সাশ্রয় করা সম্ভব হয়। 

সরকার দীর্ঘ দিন ধরে দেশের একমাত্র তেল পরিশোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারির উৎপাদন ক্ষমতা আরও ৩০ লাখ মেট্রিক টন বাড়ানোর পরিকল্পনা করলেও তা করতে ব্যর্থ হয়েছে। এমনকি কাজটি বেসরকারি উদ্যোক্তারা করতে চাইলেও তাদের বাধা দেওয়া হয়েছে।

বলা হচ্ছে, সরকার বা দেশের বেসরকারি উদ্যোগে যে কেউ কাজটি করলে প্রতিবছর এই বিপুল পরিমাণ অর্থ দেশের বাইরে চলে যেতো না। সমালোচনা রয়েছে, দেশেই তেল পরিশোধনের ব্যবস্থা করলে তেল কেনার কমিশন বঞ্চিত হবে একটি মহল। এজন্য দেশে এই ধরনের কাজ করা হয়নি।

বিশ্বের অনেক দেশেই বেসরকারি অংশগ্রহণ রয়েছে

জ্বালানি তেল আমদানি কিংবা বিপণনের দায়িত্ব বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কাছে শুধু বাংলাদেশেই হতে যাচ্ছে, ব্যাপারটি এমনও নয়। বিশ্বের অনেক উন্নত দেশেও এই খাতে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান কাজ করে। অস্ট্রেলিয়ায় বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো জ্বালানি তেল আমদানি, পরিশোধন, পাইকারি সরবরাহ ও খুচরা বিক্রি করে থাকে।

যুক্তরাজ্যেও পরিশোধন ও আমদানির পাশাপাশি জ্বালানি সরবরাহ, বিতরণ ও বিপণনে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণ রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি বাজার আরও বহুমাত্রিক। দেশটিতে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান অপরিশোধিত ও পরিশোধিত জ্বালানি আমদানি, পরিশোধন, পাইপলাইন ও টার্মিনালের মাধ্যমে পরিবহন-সংরক্ষণ, পাইকারি বিতরণ এবং খুচরা বিক্রিতে যুক্ত। ফলে পুরো সরবরাহ শৃঙ্খলে সরকারি নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি বেসরকারি উদ্যোক্তাদের হাতে রয়েছে।

প্রতিবেশী ভারতেও সরকারি প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি বেসরকারি কোম্পানি জ্বালানি তেল পরিশোধন, পেট্রোলিয়াম পণ্য আমদানি-রফতানি ও বিপণনে অংশ নিচ্ছে। এশিয়ার আরেক দেশ জাপানেও নিবন্ধিত বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন ধরনের পেট্রোলিয়াম পণ্য আমদানি ও বাজারজাত করে থাকে।

এ ধরনের বেসরকারি অংশগ্রহণ থাকলেও সরকারের নিয়ন্ত্রক হিসেবে কাজ করে থাকে। আমদানির অনুমোদন, পণ্যের মান, মজুত, নিরাপত্তা, পরিবেশগত শর্ত ও বাজার তদারকির মাধ্যমে সরকার সরবরাহ ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণ করে।

সঙ্গত কারণে পৃথিবীতে এই প্রথা একেবারে নতুন নয়। কিন্তু বাংলাদেশে এই উদ্যোগ নিয়ে সমালোচনা হচ্ছে কেন—খোঁজ করতে গিয়ে দেখা গেছে, বিষয়টিতে সবচেয়ে জোরালো প্রতিবাদ করছে শ্রমিক সংগঠনগুলো। এরপর সরাসরি বিরোধিতা না করলেও বিপিসি-র কেউ কেউ এই উদ্যোগের পক্ষে নন।

শ্রমিকদের কাজ হারানোর শঙ্কা

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এখন জ্বালানি তেল পরিবহনের কাজটি বিপুল সংখ্যক মানুষ। কারও একটি বা দুটি ট্যাঙ্কার রয়েছে। তারা চার থেকে পাঁচ জন লোক দিয়ে জ্বাোনি তেল পাম্পে পৌঁছে দেন। কিন্তু বেসরকারি বড় কোনও উদ্যোক্তার হাতে গেলে তিনি নিজস্ব পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তুলবে। সেখানে অয়েল ট্যাঙ্কার মালিক এবং শ্রমিক কেউ কাজ করার সুযোগ পাবেন, এটি নির্দিষ্ট করে বলা যায় না। 

আবার বেসরকারি কোম্পানিগুলোকে সরকারি বিক্রির অনুমোদন দিলে তারা নিজেরাই ক্রমান্বয়ে পেট্রোলপাম্প প্রতিষ্ঠা করতে পারে। অর্থাৎ তিনি জ্বালানি তেল পরিবহন এবং গ্রাহক পর্যায়ে বিক্রির যে মুনাফা তা নিজের পকেটে নেওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে। এতে করে এর সংশ্লিষ্ট অনেকেই কাজ হারাতে পারেন বা মুনাফা কমতে পারে বলে শঙ্কা রয়েছে।

বিপিসিরও মুনাফা কমার শঙ্কা

বিপিসি কখন তেল কিনতে লোকসান করলে সরকারি পর্যায়ে তাদের ভর্তুকি দেওয়া হয়। কিন্তু বিপিসির প্রত্যেকটি তেল বিপণন কোম্পানি বিপুল পরিমান মুনাফা করে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, বেসরকারি উদ্যোক্তাদের হাতে চলে গেলে বিপিসির মুনাফা কমে যেতে পারে। এই কারণে তাদেরও কেউ কেউ বিষয়টিতে খানিকটা নারাজ।

‘একটি কোম্পানিকে সুবিধা দেওয়ার জন্য নয়’

বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ এ প্রসঙ্গে মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) এক সেমিনারে বলেন, সরকারি প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকেও ব্যবসার সুযোগ দেওয়া হবে। ভারতের উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, সেখানে সরকারি প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানও জ্বালানি তেল বিক্রি করে।

একটি নির্দিষ্ট কোম্পানিকে সুবিধা দিতে এ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে—এমন অভিযোগ নাকচ করে মন্ত্রী বলেন, ‘এটা ভুল ব্যাখ্যা দেওয়া হচ্ছে। একটি কোম্পানিকে সুবিধা দেওয়ার জন্য আমরা এটা করছি না। যাতে সবাই ব্যবসা করতে পারে, সেজন্যই একটি নীতি তৈরি করছি।’

এর আগে সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া এক ব্যাখ্যায় বলা হয় সরকার নির্দিষ্ট কোন প্রতিষ্ঠানকে সুযোগ দিতে এই কাজ করছে না। তারা সকল বেসরকারি কোম্পানির জন্য এ ধরনের নীতি করছে।

বিশেষজ্ঞ মতামত 

জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ম তামিম বলেন, ‘এইক্ষেত্রে সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হবে দাম নির্ধারণ এবং ভর্তুকি কীভাবে দেবে, সেটা নির্ধারণ করা। একেক কোম্পানি যদি একেকভাবে দাম নির্ধারণ করে তাহলে তো ভোক্তা বিপদে পড়ে যাবে। একটা নির্দিষ্ট দাম ধরে দেওয়া যায় কিনা; যা এলপিজির মতো প্রতি মাসে আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সঙ্গে পরিবর্তন হতে পারে।’ বেসরকারি প্রতিষ্ঠান তেল আমদানি করলে এই খাতে যে ভর্তুকি দেওয়া হতো, সেটা কীভাবে দেওয়া হবে; সেটাও ভাবা দরকার বলেও উল্লেখ করেন তিনি। 

ম তামিম বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে যখন তেলের সংকট তৈরি হবে তখন যদি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বলে যে তারা আমদানি করতে পারবে না তখন সে সংকট সরকার কীভাবে সামাল দেবে? সম্প্রতি যে সংকট তৈরি হয়েছিল, সেখানে সরকার নানা দেশ থেকে নানাভাবে তেল এনে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেছে; এটা বেসরকারি খাতে গেলে ভোক্তার কী হবে? 

তার মতে, নীতিমালা তৈরির ক্ষেত্রে একটি জিনিস অবশ্যই সরকারকে মনে রাখতে হবে, নীতিমালায় এমন কোনো শর্ত বসানো ঠিক হবে না; যাতে করে নির্দিষ্ট কিছু গ্রুপই কাজটা করতে পারে। সবার জন্য উন্মুক্ত রাখার চেষ্টা করা উচিত বলে তিনি বলেন।।

জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ইজাজ হোসেইন বলেন, নীতিমালা এমনভাবে সরকারের করা উচিত, যাতে করে ভোক্তা দিনশেষে লাভবান হয়, সুবিধাটা পায়। সরকার আগে থেকেই এই খাতে ভর্তুকি দিচ্ছে, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান আসার পর কী হবে, তা নীতিমালা অনুযায়ীই ঠিক হবে। সেখানে আমরা যেন সাধারণ মানুষের সুবিধার কথা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিবেচনা করি।

/ইউএস/
সম্পর্কিত
লোডশেডিং কখন কমবে, জানালেন জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী
ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে মিলছে ২০ থেকে ৬০ টাকার গ্যাস! 
১৭ ঘণ্টা লোডশেডিং না কমিয়ে কেন নিরাপত্তা চাইছে বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থাগুলো
সর্বশেষ খবর
ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদকের ভাইসহ ৬ পুলিশ কর্মকর্তা চাকরিচ্যুত
ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদকের ভাইসহ ৬ পুলিশ কর্মকর্তা চাকরিচ্যুত
তিন জেলায় নতুন এসপি পদায়নসহ পুলিশে বড় রদবদল
তিন জেলায় নতুন এসপি পদায়নসহ পুলিশে বড় রদবদল
বাংলাদেশের শেষ বাড়ি, যেখানে শুরু হয় প্রকৃতির অপার সৌন্দর্য
বাংলাদেশের শেষ বাড়ি, যেখানে শুরু হয় প্রকৃতির অপার সৌন্দর্য
বাংলাদেশের সরকারি ক্রয়চুক্তির তথ্য প্রকাশের আহ্বান যুক্তরাষ্ট্রের
বাংলাদেশের সরকারি ক্রয়চুক্তির তথ্য প্রকাশের আহ্বান যুক্তরাষ্ট্রের
সর্বাধিক পঠিত
সাভারে একটি ভবন ঘিরে রেখেছে এসএসইউ, যা জানালো পুলিশ
সাভারে একটি ভবন ঘিরে রেখেছে এসএসইউ, যা জানালো পুলিশ
সাভারে বাড়ি ঘিরে অভিযান, আটক আরিফ সম্পর্কে যা জানা গেলো
সাভারে বাড়ি ঘিরে অভিযান, আটক আরিফ সম্পর্কে যা জানা গেলো
কাকা তুমি খালি বাইরে বাইরে থাকলে কেন: ফোনালাপে পরশকে বলেছিলেন কাদের
কাকা তুমি খালি বাইরে বাইরে থাকলে কেন: ফোনালাপে পরশকে বলেছিলেন কাদের
মির্জা ফখরুলকে বক্তব্য প্রত্যাহার করতে বললেন জামায়াতের ১১ এমপি
মির্জা ফখরুলকে বক্তব্য প্রত্যাহার করতে বললেন জামায়াতের ১১ এমপি
গভীর রাতে সরকারি ভবনে নারীসহ পাসপোর্ট কর্মকর্তা আটক
গভীর রাতে সরকারি ভবনে নারীসহ পাসপোর্ট কর্মকর্তা আটক