X

সেকশনস

গণমাধ্যমে করোনার হানা

আপডেট : ৩০ জুলাই ২০২০, ০০:৩০

 

করোনাভাইরাস

দেশে গত পাঁচ মাসে করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) অন্তত ৬৭৮ জন গণমাধ্যম কর্মী আক্রান্ত হয়েছেন। এদের মধ্যে মারা গেছেন ২৭ জন। আক্রান্তদের অর্ধেকের বেশিই রাজধানীতে কর্মরত বিভিন্ন গণমাধ্যম কর্মী। আক্রান্তের তুলনামূলক তথ্য না থাকলেও সম্মুখ সারির যোদ্ধা হিসেবে আক্রান্তের হারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও চিকিৎসকদের পরেই গণমাধ্যম কর্মীদের অবস্থান বলে ধারণা গণমাধ্যম সংশ্লিষ্টদের। কাজের ক্ষেত্রগত কারণেই গণমাধ্যম কর্মীরা তুলনামূলক বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন বলে গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা মনে করেন। এছাড়া বেশিরভাগ গণমাধ্যম কর্তৃপক্ষ তাদের কর্মীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়ার কারণেও আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে বলেও তারা জানান। এর বাইরে কিছু গণমাধ্যম কর্মীর স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার অনীহাকেও দায়ী করেন তারা।

গণমাধ্যম সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, করোনাযুদ্ধে সম্মুখভাগের অন্য পেশাজীবীরা যাদের সংস্পর্শে আসেন তাদের সম্পর্কে ধারণা থাকলেও গণমাধ্যম কর্মীরা সংস্পর্শে আসাদের সম্পর্কে কোনও ধারণা রাখার সুযোগ পান না। কারণ, একজন চিকিৎসক কোভিড, নন-কোভিড যে ধরনের রোগীই দেখেন না কেন, তিনি প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বনের সুযোগ পান, কিন্তু একজন সাংবাদিককে পেশাগত কারণেই হাসপাতাল থেকে মাছের বাজার পর্যন্ত ছুটে বেড়াতে হয়। এ সময় যাদের সংস্পর্শে তাকে আসতে হয়, তাদের শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে তার কোনও ধারণা পাওয়ার সুযোগ থাকে না। এর ফলে প্রতিনিয়ত নানা শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছাকাছি যাওয়ায় সংবাদ কর্মীদের একটি বিপজ্জনক পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। এ কারণে দেখা যাচ্ছে, এখন পর্যন্ত কোভিড-১৯ আক্রান্ত গণমাধ্যম কর্মীদের অধিকাংশই তাদের পরিবারের একাধিক সদস্যসহ আক্রান্ত হয়েছেন।

বাংলাদেশে গত ৮ মার্চ প্রথম করোনা শনাক্তের ২৬ দিনের মাথায় গত ৩ এপ্রিল প্রথম কোনও গণমাধ্যম কর্মীর করোনা শনাক্ত হয়। এরপর ধারাবাহিকভাবেই এই সংখ্যা বেড়ে চলেছে। দেশের প্রথম সাংবাদিক হিসেবে ২৯ এপ্রিল সময়ের আলোর নগর সম্পাদক হুমায়ুন কবীর খোকনের মৃত্যু হয় করোনায়।

গণমাধ্যম কর্মীদের আক্রান্তের তথ্য কোনও সরকারি বা গণমাধ্যম সংশ্লিষ্ট সংগঠন থেকে সংরক্ষণ করা হয়নি। তবে, দেশে করোনা সংক্রমণের শুরু থেকেই গণমাধ্যম কর্মীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমভিত্তিক গ্রুপ ‘আমাদের গণমাধ্যম, আমাদের অধিকার’ করোনা আক্রান্ত গণমাধ্যম কর্মীদের নিয়মিত হিসাব সংরক্ষণ করছে। এই গ্রুপের সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, ২৯ জুলাই পর্যন্ত দেশে কোভিড-১৯ আক্রান্ত গণমাধ্যম কর্মীর সংখ্যা ৬৭৮ জন এবং এ সময়ে মৃত্যুবরণ করেছেন ২৭ জন, যাদের মধ্যে ১৭ জনের করোনায় আক্রান্ত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। বাকি ১০ জন মৃত্যুবরণ করেছেন করোনা উপসর্গ নিয়ে। দেশের ১৫৭টি গণমাধ্যমের আক্রান্ত ৬৭৭ জন কর্মীর মধ্যে ঢাকায় ৪৬৪ জন এবং ঢাকার বাইরে ২১৩ জন। এদিকে আক্রান্ত ১৫৭টি গণমাধ্যমের মধ্যে ৯৪টি পত্রিকা, ৩০টি টেলিভিশন চ্যানেল, অনলাইন নিউজপোর্টাল ২৭টি, রেডিও পাঁচটি এবং বার্তা সংস্থা একটি। সংবাদকর্মী করোনা আক্রান্ত হওয়ার কারণে একাধিক জাতীয় দৈনিক ও টেলিভিশন চ্যানেল লকডাউনও করা হয়।

করোনায় মারা যাওয়া গণমাধ্যম কর্মীদের মধ্যে আরও রয়েছেন প্রবীণ সাংবাদিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব কামাল লোহানী, জবাবদিহির সহকারী সার্কুলেশন ম্যানেজার শেখ বারিউজ্জামান, এনটিভির অনুষ্ঠান বিভাগের প্রধান মোস্তফা কামাল সৈয়দ, ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেসের কক্সবাজার প্রতিনিধি আব্দুল মোনায়েম খান, বগুড়ার উত্তরকোণ সম্পাদক মোজাম্মেল হক, ভোরের ডাক পত্রিকার চান্দিনা (কুমিল্লা) প্রতিনিধি গোলাম মোস্তফা, যশোরের নওয়াপাড়া পত্রিকার ব্যবস্থাপনা সম্পাদক বেলাল হোসেন, বগুড়ার সাপ্তাহিক হাতিয়ারের নির্বাহী সম্পাদক সাইদুজ্জামান, সাপ্তাহিক আজকের সূর্যোদয় পত্রিকার সম্পাদক খন্দকার মোজাম্মেল হক, সাপ্তাহিক উত্তমাশার সম্পাদক খন্দকার ইকরামুল হক, এটিএন বাংলার অর্থ ও হিসাব বিভাগের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট আহসান হাবীব, দৈনিক যুগান্তর পত্রিকার মালিক নুরুল ইসলাম বাবুল, গোপালগঞ্জের পাক্ষিক মকসুদপুর পত্রিকার সংবাদকর্মী এম ওমর আলী, ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেসের বার্তা সম্পাদক আবদুল্লাহ এম হাসান, ঝিনাইদহ প্রেস ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হাফিজুর রহমান এবং ময়মনসিংহ থেকে প্রকাশিত দৈনিক জাহান পত্রিকার সম্পাদক রেবেকা ইয়াসমিন। 

এছাড়া উপসর্গ নিয়ে মৃতদের মধ্যে রয়েছেন—সময়ের আলোর সিনিয়র সাব-এডিটর মাহমুদুল হাকিম অপু, ভোরের কাগজের ক্রাইম রিপোর্টার আসলাম রহমান, বাংলাদেশের খবরের প্রধান আলোকচিত্রী মিজানুর রহমান খান, দৈনিক বগুড়া পত্রিকার বার্তা সম্পাদক ওয়াসিউর রহমান রতন, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ও সিনিয়র সাংবাদিক সুমন মাহমুদ, দৈনিক সমাচার ও চাঁদপুর জমিন পত্রিকার ফরিদগঞ্জ উপজেলা প্রতিনিধি সাংবাদিক আবুল হাসনাত, আজকের সিলেটডটকমের বালাগঞ্জ প্রতিনিধি লিটন দাস লিকন, রাজশাহীর দৈনিক সোনালী সংবাদের চিফ রিপোর্টার তবিবুর রহমান মাসুম, ফেনীর সাপ্তাহিক হকার্সের প্রকাশক ও সম্পাদক নুরুল করিম মজুমদার এবং সাতক্ষীরা থেকে প্রকাশিত দৈনিক আজকের সাতক্ষীরা পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক মহসিন হোসেন।

গণমাধ্যম কর্মীদের আক্রান্তের তথ্য সংরক্ষণকারী ‘আমাদের গণমাধ্যম, আমাদের অধিকার’-এর সমন্বয়ক আহম্মদ ফয়েজ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমাদের হালনাগাদে আক্রান্তের যে সংখ্যা আমরা প্রকাশ করছি, প্রকৃত আক্রান্তের সংখ্যা তার চেয়ে কিছুটা বেশি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কারণ, অনেকেই আক্রান্ত হওয়ার বিষয়টি প্রকাশ করতে চান না।’

তিনি মনে করেন, বাংলাদেশের গণমাধ্যমগুলো করোনা সংকটকালে কর্মপদ্ধতি কী হবে বা কীভাবে এই সংকটে নিজেদের সুরক্ষিত রাখা যায়, তা নিয়ে সম্মিলিত উদ্যোগ নেওয়ার সময় ও সুযোগ দুটোই হাতছাড়া করেছে। পৃথিবীর অন্যান্য দেশে সাংবাদিকরা বা গণমাধ্যমগুলো কী ধরনের উদ্যোগ নিয়েছে, সে বিষয়ে বাংলাদেশের গণমাধ্যম ও গণমাধ্যম সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলো খুব একটা খোঁজ-খবর করেনি।

তিনি বলেন, ‘অন্যান্য প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার জন্য সরকার যেভাবে প্রতিষ্ঠানভিত্তিক গাইডলাইন প্রণয়ন করেছে, একইভাবে গণমাধ্যমগুলোকে স্বাভাবিক কার্যক্রমে ফিরতে একটি গাইডলাইন প্রণয়ন জরুরি। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও গণমাধ্যম সংশ্লিষ্টদের সমন্বয়ে প্রয়োজনীয় মতামতের ভিত্তিতে অন্তত আগামী দুই বছরের জন্য অফিসের ভেতরে ও বাইরের কর্মপদ্ধতি নির্ধারণ করে একটি গাইডলাইন প্রণয়ন করা যেতে পারে।’

দায়িত্বের ধরনের কারণেই গণমাধ্যমকর্মীরা তুলনামূলক বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন বলে টেলিভিশন সাংবাদিকদের সংগঠন ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট সেন্টারের (বিজেসি) চেয়ারম্যান রেজওয়ানুল হক রাজা মনে করেন। তিনি বলেন, ‘যে কয়েকটি পেশার লোকজনকে সম্মুখ সারির যোদ্ধা বলা হয় তার মধ্যে আমরা  রয়েছি। আমাদের মাঠেঘাটে গিয়ে সংবাদ সংগ্রহ করতে হয়। হাসপাতালসহ পাবলিক প্লেসগুলোতে যেতে হয়। কাজেই আক্রান্ত আমাদের বেশি হওয়াটাই স্বাভাবিক। ঘরে বসে থাকলে তো সাংবাদিকতা হবে না।’

আক্রান্তের হার কমানোসহ সাংবাদিকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় অবশ্যই করণীয় ছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘অফিসে কাজ করা এবং সংবাদ সংগ্রহের জন্য আমরা কোন ধরনের সতর্কতা অবলম্বন করবো— তার জন্য আমাদের সংগঠনের পক্ষ থেকে এপ্রিলের শুরুর দিকেই একটি গাইডলাইনের মতো তৈরি করেছি। এর কিছুটা পালিত হয়েছে, কিছুটা পালিত হয়নি।’

নির্বাহী আদেশে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির সময়কার সংবাদ সংগ্রহের প্রসঙ্গ টেনে রেজওয়ানুল হক রাজা বলেন, ‘স্বাস্থ্য সুরক্ষার ক্ষেত্রে আমাদের নিজেদের কিছু খামখেয়ালিপনা রয়েছে। নেগলিজেন্সও হয়েছে। খালেদা জিয়ার মুক্তির দিনে আমরা দেখেছি, করোনার বিষয়টি ভুলে গিয়ে কে কার আগে ভালো ছবি তুলবো। অনেক সময় অফিস থেকে নির্দেশনা না থাকলেও আমরা নিজেদের মতো করে এটা করি। আর এসব ঘটনা গণমাধ্যম কর্মীদের সংক্রমণ বৃদ্ধির অনুঘটক হিসেবে কাজ করেছে।’

এ প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, ‘সাংবাদিকদের ফ্রন্টলাইনের যোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হলেও অন্যান্য পেশাজীবীর পাশে সরকার যেভাবে দাঁড়িয়েছে, সাংবাদিকদের পাশে সেভাবে দাঁড়াতে দেখা যায়নি। করোনাকালে ইউনিয়নের মাধ্যমে কিছু অসচ্ছল সাংবাদিকদের আর্থিক অনুদান দেওয়া হলেও সামগ্রিকভাবে তেমন কিছুই করা হয়নি। এই করোনাকালে অনেক মিডিয়া বন্ধ হয়েছে। অনেকে চাকরিচ্যুত হয়েছেন, অনেককে বাধ্যতামূলক ছুটিতে যেতে হয়েছে। এই সময় সরকারকে পাশে পেলে গণমাধ্যম কর্মীরা আরও উৎসাহিত হতেন।’

গণমাধ্যম কর্মীদের আক্রান্তের হার বেশি হওয়ার জন্য মালিক কর্তৃপক্ষকে দায়ী করেন ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ আলম খান তপু। তিনি বলেন, ‘স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করার দায়িত্ব নিয়োগ কর্তৃপক্ষের। আমরা শুরু থেকেই এটা বলে আসছি। রাজপথে দাঁড়িয়ে দাবি করেছি। তবে দুঃখজনকভাবে সত্য হলো— বেশিরভাগ কর্তৃপক্ষ তাদের দায়িত্বটা পালন করেনি। অনেক প্রতিষ্ঠান কর্মীদের ট্রান্সপোর্টের ব্যবস্থা করেনি। কেউ কেউ করলেও সেখানে স্বাস্থ্যবিধি রক্ষা হয়নি। দুঃখজনক বিষয় হচ্ছে—এই ঘটনার সময় অনেক মিডিয়া বন্ধ হয়ে গেছে। অনেকে চাকরিচ্যুত হয়েছেন। অনেককে ফোর্স করে ছুটিতে পাঠানো হয়েছে।’

করোনায় ফ্রন্টলাইনের যোদ্ধাদের সরকার যেসব প্রণোদনা দিয়েছেন, সাংবাদিকদের জন্য তা আরও জোরদার হওয়ার কথা ছিল মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন আগাগোড়াই সাংবাদিকদের স্বাস্থ্যবিমার ওপর জোর দিয়েছে। স্বাস্থ্যবিমা নিশ্চিত করা গেলে দুর্যোগ-দুর্বিপাকে এক ধরনের ইনসেন্টিভ পাওয়ার সুযোগ থাকে। স্বাস্থ্যবিমার বিষয়টি একটি আইনি কাঠামোর মাধ্যমে কীভাবে বাধ্যতামূলক করা যায়, আমরা সেটা চাই।’

করোনা একটি বৈশ্বিক বাস্তবতা উল্লেখ করে সমকাল পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মুস্তাফিজ শফি বলেন, ‘কোভিড-১৯-এ সাধারণ মানুষ যেভাবে আক্রান্ত হয়েছে, গণমাধ্যম কর্মীরাও আক্রান্ত হয়েছেন। অসচেতনতার জন্য সাধারণ মানুষ আক্রান্ত হচ্ছে। কিন্তু দুঃখজনকভাবে গণমাধ্যম কর্মীদের মধ্যেও এই অসচেতনতা রয়েছে।’

কোনও কোনও গণমাধ্যম তাদের কর্মীদের সুরক্ষায় সন্তোষজনক ব্যবস্থা নিলেও বেশিরভাগের ক্ষেত্রে তা দেখা যায়নি উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘অনেক গণমাধ্যম সেফটি সিকিউরিটি ব্যবস্থা পুরোপুরি করেনি। যথাযথ সুরক্ষা ব্যবস্থা না নেওয়ায় আমাদের অনেক সহকর্মীকে হারাতে হয়েছে।’

নিজের পত্রিকার সুরক্ষার ব্যবস্থার কথা উল্লেখ করে করোনাজয়ী এই সম্পাদক বলেন, ‘আমরা শুরু থেকে স্বাস্থ্য সুরক্ষায় যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা করেছি। আমরা একাধিক গ্রুপে বিভক্ত হয়ে অফিসে অবস্থান ও কাজ করে উদাহরণ স্থাপন করেছিলাম। দুঃখজনক হলো এরপরেও আমাদের একাধিক সহকর্মী আক্রান্ত হয়েছেন। আমি নিজেও আক্রান্ত হয়েছি।’ আক্রান্তদের অফিসের খরচে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে তিনি জানান।

করোনা আরও কিছুদিন থাকার আশঙ্কার কথা উল্লেখ করে মুস্তাফিজ শফি আর বলেন, ‘দেরিতে হলেও আমাদের এখন থেকে আরও সচেতন হওয়া দরকার। সবাইকে বলবো, আপনারা নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখাসহ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন। গণমাধ্যম কর্তৃপক্ষের প্রতি আমার আহ্বান থাকবে, কেউ আক্রান্ত হলে তারা যেন যথাযথ চিকিৎসার উদ্যোগ নেন।’

করোনাকালে অনেক মিডিয়া হাউজ তাদের সহকর্মীদের ট্রান্সপোর্ট সুবিধা না দেওয়ার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমরা গণমাধ্যম কর্মীরা মানুষকে সচেতন হওয়ার কথা বলি, কিন্তু নিজেরা যদি সচেতন না হই, তাহলে তো চলবে না। তাই বলবো, এখনও সময় আছে সব দুর্বলতা কাটিয়ে মিডিয়া হাউজগুলোতে স্বাস্থ্য সুরক্ষার যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার।’

 

/ইএইচএস/এপিএইচ/এমওএফ/

সম্পর্কিত

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দিতে মানতে হবে যে সব বিষয়

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দিতে মানতে হবে যে সব বিষয়

কারাগারে হলমার্কের জিএম এর নারীসঙ্গ: ৩ কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার

কারাগারে হলমার্কের জিএম এর নারীসঙ্গ: ৩ কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার

সাংবাদিক আফজালের মৃত্যুতে ডিএনসিসি মেয়রের শোক

সাংবাদিক আফজালের মৃত্যুতে ডিএনসিসি মেয়রের শোক

সেই কিশোরীকে হস্তান্তরে কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি

সেই কিশোরীকে হস্তান্তরে কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি

শাজাহান খানের নেতৃত্বে নতুন শ্রমিক সংগঠনের আত্মপ্রকাশ

শাজাহান খানের নেতৃত্বে নতুন শ্রমিক সংগঠনের আত্মপ্রকাশ

বিভিন্ন স্থানে সড়কে নিহত ১৪

বিভিন্ন স্থানে সড়কে নিহত ১৪

অনলাইনে ভোট মিললেই জয় পাবে বাংলাদেশের ‘মাদারস পার্লামেন্ট’

অনলাইনে ভোট মিললেই জয় পাবে বাংলাদেশের ‘মাদারস পার্লামেন্ট’

প্রাথমিকে পেনশন নিষ্পত্তিতে দেরি হলে জবাবদিহি

প্রাথমিকে পেনশন নিষ্পত্তিতে দেরি হলে জবাবদিহি

সর্বশেষ

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দিতে মানতে হবে যে সব বিষয়

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দিতে মানতে হবে যে সব বিষয়

কারাগারে হলমার্কের জিএম এর নারীসঙ্গ: ৩ কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার

কারাগারে হলমার্কের জিএম এর নারীসঙ্গ: ৩ কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার

কারাগারে নারী দর্শনার্থীর সঙ্গে সময় কাটালেন হলমার্কের জিএম

কারাগারে নারী দর্শনার্থীর সঙ্গে সময় কাটালেন হলমার্কের জিএম

বিমানবন্দরে স্বামী-স্ত্রী নিহতের ঘটনায় বাসচালক কারাগারে

বিমানবন্দরে স্বামী-স্ত্রী নিহতের ঘটনায় বাসচালক কারাগারে

কেক কাটা নয়, শুধু দোয়ার আয়োজন করেছি: সম্রাট

শুভ জন্মদিন নায়করাজ রাজ্জাককেক কাটা নয়, শুধু দোয়ার আয়োজন করেছি: সম্রাট

সাংবাদিক আফজালের মৃত্যুতে ডিএনসিসি মেয়রের শোক

সাংবাদিক আফজালের মৃত্যুতে ডিএনসিসি মেয়রের শোক

সেই কিশোরীকে হস্তান্তরে কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি

সেই কিশোরীকে হস্তান্তরে কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দিতে প্রস্তুতির নির্দেশনা জারি

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দিতে প্রস্তুতির নির্দেশনা জারি

মাঝপদ্মায় নোঙর করেছে ৪ ফেরি 

মাঝপদ্মায় নোঙর করেছে ৪ ফেরি 

মার্চে হচ্ছে না এশিয়ান চ্যাম্পিয়নস ট্রফি

মার্চে হচ্ছে না এশিয়ান চ্যাম্পিয়নস ট্রফি

সিনেটে ট্রাম্পের অভিশংসন বিচার শুরু আগামী সপ্তাহে

সিনেটে ট্রাম্পের অভিশংসন বিচার শুরু আগামী সপ্তাহে

টেকনাফে ঘর পাচ্ছে ৬০ পরিবার

টেকনাফে ঘর পাচ্ছে ৬০ পরিবার

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

কারাগারে হলমার্কের জিএম এর নারীসঙ্গ: ৩ কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার

কারাগারে হলমার্কের জিএম এর নারীসঙ্গ: ৩ কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার

সাংবাদিক আফজালের মৃত্যুতে ডিএনসিসি মেয়রের শোক

সাংবাদিক আফজালের মৃত্যুতে ডিএনসিসি মেয়রের শোক

সেই কিশোরীকে হস্তান্তরে কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি

সেই কিশোরীকে হস্তান্তরে কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি

শাজাহান খানের নেতৃত্বে নতুন শ্রমিক সংগঠনের আত্মপ্রকাশ

শাজাহান খানের নেতৃত্বে নতুন শ্রমিক সংগঠনের আত্মপ্রকাশ

অনলাইনে ভোট মিললেই জয় পাবে বাংলাদেশের ‘মাদারস পার্লামেন্ট’

অনলাইনে ভোট মিললেই জয় পাবে বাংলাদেশের ‘মাদারস পার্লামেন্ট’

প্রাথমিকে পেনশন নিষ্পত্তিতে দেরি হলে জবাবদিহি

প্রাথমিকে পেনশন নিষ্পত্তিতে দেরি হলে জবাবদিহি


[email protected]
© 2021 Bangla Tribune
Bangla Tribune is one of the most revered online newspapers in Bangladesh, due to its reputation of neutral coverage and incisive analysis.