বগুড়ার শেরপুরে ভোটের দু’দিন পর সোমবার বিকালে পুলিশ খামারকান্দি ইউনিয়নের ঝাঁঝড় বিলনোথার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র থেকে একটি ব্যালট বাক্স উদ্ধার করেছে। বাক্সে সিল দেওয়া ব্যালট পেপার ছিল এমন গুজবে আওয়ামী লীগের পরাজিত চেয়ারম্যান প্রার্থী আবদুল মোমিন ও তার সমর্থকদের মাঝে উত্তেজনা দেখা দেয়।
উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আনিসুর রহমান জানান,এটা খুবই সাধারণ ঘটনা। প্রিসাইডিং অফিসার মিরাজুল ইসলাম ভুলে একটি বাক্স কেন্দ্রে ফেলে এসেছিলেন।
জানা গেছে,গত ৭ মে শেরপুরের ১০টি ইউনিয়নে ভোট অনুষ্ঠিত হয়। খামারকান্দি ইউনিয়নের ঝাঁঝড় বিলনোথার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে প্রিসাইডিং অফিসার ছিলেন রূপালী ব্যাংক শেরপুর উপজেলা শাখার সিনিয়র অফিসার মিরাজুল ইসলাম। ভোট শেষে তিনি একটি বাক্স কেন্দ্রে ফেলে চলে আসেন। ভোটে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী আবদুল ওয়াহাব চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। সোমবার বিকাল ৩টার দিকে ওই স্কুলের দপ্তরি রুমে একটি ব্যালট বাক্স দেখতে পেয়ে আশপাশের লোকজনকে জানান। খবর পেয়ে শেরপুর থানা পুলিশ বাক্সটি উদ্ধার করে।
এদিকে বাক্সে ব্যালট ছিল এমন খবরে আওয়ামী লীগের পরাজিত প্রার্থী আবদুল মোমিন ও তার সমর্থকরা হৈ চৈ শুরু করেন।
শেরপুর থানার ওসি খান মো.এরফান জানান, বাক্সটিতে কোনও ব্যালট ছিল না। বিষয়টি পুলিশ সুপারকে অবহিত করা হয়েছে।
উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আনিসুর রহমান জানান, প্রিসাইডিং অফিসার ভুলে একটি বাক্স কেন্দ্রে ফেলে এসেছিলেন। বিষয়টি তাদের জানা ছিল। স্কুলের দপ্তরি ঘটনাটি নিয়ে বাড়াবাড়ি করায় পরাজিত প্রার্থীর লোকজন এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছেন। এলাকাবাসী এ ঘটনাকে দায়িত্বে অবহেলা হিসেবে দেখছেন।
/এমএসএম/








