আসামি গ্রেফতারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভোলা সদরের রাজাপুর ইউনিয়নের জনতা বাজারে পুলিশের সঙ্গে গ্রামবাসীর সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে নোমান (২৫) নামে একজন নিহত ও অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হয়েছেন আমিরুন নেছা (৫২) নামে এক নারী। তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার রাত ৮টার পর থেকে ওই ইউনিয়নের জনতা বাজারে পুলিশ ও গ্রামবাসীর ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় একাধিক পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ কয়েক রাউন্ড টিয়ারসেল ও রাবার বুলেট নিক্ষেপ করেছে। নিহত নোমান ওই এলাকার বেলাল জমাদারের ছেলে।
স্থানীয়রা জানান, সন্ধ্যার পর একটি মামলায় রাজাপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি নিজাম উদ্দিনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় জনতা বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠে। এক পর্যায়ে পুলিশ ও স্থানীয়দের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। এ সময়ে পুলিশের গুলিতে নোমান নামে এক যুবক নিহত হন। বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসীর হামলায় বেশ কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
পরে অতিরিক্ত পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
রাজাপুর ইউপি চেয়ারম্যান মিঠু চৌধুরী নোমানের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে জানান, বিক্ষুব্ধ জনতা পুলিশ ক্যাম্পে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন,সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ইউপি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দায়ের করা একটি রাজনৈতিক মামলায় পুলিশ আসামি ধরে আবার টাকার বিনিময়ে ছেড়ে দেয় ।
ভোলার মডেল থানার ওসি খায়রুল কবির জানান, পরিস্থিতি এখন শান্ত রয়েছে। পুলিশ নোমানের বাড়িতে গিয়েছে।
আরও পড়ুন:
রাঙামাটিতে চাঁদের গাড়ি উল্টে নিহত ১, প্রতিবাদে বিজিবি ক্যাম্প ভাঙচুর
শ্যামল কান্তির বিরুদ্ধে ছাত্রের বক্তব্য অসংলগ্ন
হাসিনা হাত বাড়ালেন, এবার পালা মমতার
এপিএইচ/








