নারায়ণগঞ্জ শহরের কালীরবাজারে এক স্বর্ণ ব্যবসায়ীকে ফাঁসাতে গিয়ে পুলিশের কাছে ধরা পরেছে দুই প্রতারক। এ সময় প্রতারকদের সহায়তা করায় স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের রোষানলে পড়েন পুলিশের এক সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই)। পরে অতিরিক্ত পুলিশ এসে তিনজনকে উদ্ধার করে। এ ঘটনায় পুলিশের ওই এএসআইকে তাৎক্ষণিকভাবে নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানা থেকে আড়াইহাজারের দুর্গম চরাঞ্চল কালাপাহাড়িয়ায় বদলি করা হয়।
জানা গেছে, লিটন নামের পুলিশের এক সোর্স বুধবার সকাল ১১টায় নারায়ণগঞ্জের কালীরবাজার স্বর্ণপট্টিতে পাণ্ডব রায়ের মালিকানাধীন ‘মা তাঁরা স্বর্ণালয়ে’ গিয়ে একটি চেইন বিক্রি করতে চান। তখন দোকান মালিক পাণ্ডব রায় তা কিনতে আগ্রহ প্রকাশ করেন। তবে লিটন চেইনটি রেখে ২ হাজার টাকা দেওয়ার জন্য পাণ্ডব রায়কে চাপ দিতে থাকে। ব্যর্থ হয়ে দোকানের বাইরে আসলে লিটনকে আটক করে পুলিশের অপর সোর্স ইকবাল ও নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) আশরাফ হোসেন। তখন লিটনকে ওই স্বর্ণের চেইনটি ছিনতাই ও পাণ্ডব রায়কে চোরাই স্বর্ণ কেনার অভিযোগে আটক করে। এ ঘটনায় কালীরবাজারের স্বর্ণ ব্যবসায়ীরা পুলিশের এএসআই আশরাফসহ লিটন ও ইকবালকে আটক করে মারধর করে। খবর পেয়ে থানার ওসি আবদুল মালেকের নেতৃত্বে অতিরিক্ত পুলিশ এসে তাদের উদ্ধার করে।
সদর মডেল থানার ওসি আবদুল মালেক জানান, ঘটনায় প্রাথমিকভাবে দোষী থাকায় এএসআই আশরাফকে তাৎক্ষণিক আড়াইহাজারের কালাপাহাড়িয়া থানায় বদলি করা হয়েছে। লিটন ও ইকবালকে থানায় আটক রাখা হয়েছে। দুজনের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে।
/এসএনএইচ/এএইচ/








