ঢাকার গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারিতে জঙ্গিদের গুলিতে নিহত গোয়েন্দা পুলিশের সহকারী কমিশনার রবিউল ইসলামের (কামরুল) লাশ শনিবার রাত সাড়ে আটটার দিকে মানিকগঞ্জের কাটি গ্রামে আনা হয়। লাশ বাড়িতে পৌঁছার পর বৃষ্টি উপেক্ষা করে হাজারো জনতা সেখানে ভিড় জমান। রাত ১১টার দিকে তৃতীয় জানাজা শেষে লাশ দাফন করা হয়। জানাজা হয় তার মাধ্যমিক বিদ্যাপীঠ আটিগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে।
রবিউলকে এক নজর দেখার জন্য নানা বয়সী হাজারো নারী পুরুষ তার বাড়িতে ভিড় জমান। পরে তার লাশ জানাজা পড়ার জন্য নিয়ে যাওয়া হয় স্থানীয় স্কুলমাঠে। জানাজায় সমবেত লোকজন লাইনে দাঁড়িয়ে শেষবারের মতো এক পলক দেখে নেন তাদের প্রিয় রবিউলকে।
রবিউলের ছেলে তার চাচার কোলে চড়ে বাবার লাশের দিকে এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকে। সে কখনও হাসে। আবার কখনও বলে তাদের বাড়ি এতো মানুষ কেন? বাবাই বা তার সঙ্গে কথা বলছে না কেন।
মানিকগঞ্জের জেলা প্রশাসক রাশিদা ফেরদৌস ও পুলিশ সুপার মাহফুজুর রহমান,জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট গোলাম মহীউদ্দিন,সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালামসহ পুলিশ,রাজনৈতিক,এলাকার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ,অনেক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা রবিউলের লাশের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। রবিউলকে অন্যতম জাতীয় বীর সম্বোধন করা হয়।
জানাজার আগে রবিউলকে পুলিশের একটি চৌকস দল গার্ড অব অনার প্রদান করে। পুলিশের ও জাতীয় পতাকা রবিউলের লাশের ওপর দিয়ে নেওয়া হয় কবরস্থানে। রাত এগারোটার পরে রবিউলকে বাবার কবরের পাশে দাফন করা হয়।
/এমপি/এমএসএম/








