জেলা শহরের নগুয়া এলাকার বিবেকানন্দ পাঠাগার ও মন্দিরের সেবায়েতের ওপর দুর্বৃত্তরা হামলা চালিয়েছে বলে দাবি করেছেন মন্দিরের সেবায়েত পলাশ চক্রবর্তী। শুক্রবার মধ্যরাতে শহরের নগুয়া পাঠাগার মোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে জানান তিনি।
পলাশ চক্রবর্তী বলেন, মুখোশধারী দুর্বৃত্তরা বাসায় ঢুকে তাকে হত্যার চেষ্টা চালায়। তবে নিজের সাহসিকতার জন্য প্রাণে বেঁচে গেছেন তিনি।
পলাশ বলেন,শহরের নগুয়া মোড়ে অবস্থিত বিবেকানন্দ পাঠাগার ও মন্দিরের সেবায়েত হিসেবে তিনি কর্মরত। মন্দিরের পার্শ্ববর্তী বাড়িতে পরিবার-পরিজন নিয়ে বসবাস করেন। শুক্রবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে বাড়ির দেয়াল টপকে মুখোশধারী এক দুর্বৃত্ত ভেতরে প্রবেশ করে। দরজায় নক করার পর সেবায়েত হাতে একটি রড নিয়ে দরজা খোলেন। সঙ্গে সঙ্গে চাপাতি হাতে থাকা মুখোশধারী দুর্বৃত্ত তার ওপর হামলা চালায়। ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তার ডান হাতে চাপাতির আঁচড় লাগে। পরে হাতে থাকা রড দিয়ে তিনি দুর্বৃত্তকে আঘাত করতে গেলে সে দেয়াল টপকে পালিয়ে যায়। পাশাপাশি দেয়ালের ওপাশে থাকা আরও দুই দুর্বত্তকেও পালিয়ে যেতে দেখেন সেবায়েত পলাশ।
এদিকে ঘটনার খবর পেয়ে শনিবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. আজিমুদ্দিন বিশ্বাস,পুলিশ সুপার আনোয়ার হোসেন খান, জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. জিল্লুর রহমানসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
বিবেকানন্দ পাঠাগার ও মন্দির পরিচালনা কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট বিজয় শংকর রায় বলেন, সেবায়েতকে হত্যার জন্যই ঘাতকরা হামলা চালিয়েছিল। সেবায়েতের সাহসিকতায় তারা পিছু হটে। হামলার সময় একজন দেয়াল টপকে বাড়ির ভেতরে প্রবেশ করে। বাকি কয়েকজন বাড়ির গেটের সামনে দাঁড়িয়েছিল।
কিশোরগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর মোশাররফ হোসেন জানান, এ ঘটনায় সেবায়েত পলাশ চক্রবর্তী থানায় কোনও অভিযোগ দায়ের করেননি। অভিযোগ করলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
/এমএসএম /








