ঈদে সরকারের দেওয়া বিশেষ বরাদ্দের ভিজিএফের চাল বিতরণে নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলায় ব্যাপক অনিয়ম ও কালোবাজারে চাল বিক্রির অভিযোগ উঠেছে।
২ জুলাই শনিবার জলঢাকা আওয়ামী লীগের সভাপতি আনছার আলী মিন্টু ও সাধারণ সম্পাদক সহীদ হোসেন রুবেলের যৌথ স্বাক্ষরে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই অভিযোগ করা হয়। প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, উপজেলার ১১টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার ৮১ হাজার সুবিধাভোগীর জন্য ২০ কেজি হিসাবে সরকার ১৬শ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেয় ত্রাণ মন্ত্রনালয়ের মাধ্যমে।
বরাদ্দকৃত ভিজিএফ চাল সুবিধাভোগীদের ২০ কেজির স্থলে ১০ কেজি এবং বাকি চাল কালোবাজারীদের কাছে বিক্রি করে দেওয়া হচ্ছে।
এতে আরও বলা হয়, এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাসান হাবিবকে সুষ্ঠুভাবে হতদরিদ্র এসব পরিবারের মাঝে চাল বিতরণের বিষয়টি নিয়ে বারবার অবগত করলেও তিনি কোনও কর্ণপাত করেননি। বরং ইউপি চেয়ারম্যানদের সঙ্গে আঁতাত করে অধিক মুনাফার আশায় এসব চাল দরিদ্র পরিবারগুলোকে না দিয়ে কালোবাজারীদের কাছে বিক্রি করেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ইউপি চেয়ারম্যানদের কর্মকাণ্ডে উপজেলা আওয়ামী লীগ তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানায়। একইসঙ্গে ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষন করে ও সুষ্ঠু তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়।
/এমপি/








