ব্রহ্মপুত্র ও অন্যান্য নদ-নদীর পানি বৃদ্ধির কারণে শেরপুর সদর উপজেলার পাঁচ ইউনিয়নের ১২৫ হেক্টর ফসলের জমি বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে। এরমধ্যে ৬০ হেক্টর জমিতে চাষ করা গ্রীষ্মকালীন বিভিন্ন সবজির খেত সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে গেছে। ফলে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন ওইসব এলকার কৃষকরা।
গত তিন দিনে জেলার নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় সদর উপজেলার কামারের চর, চর মুচারিয়া, চর পক্ষীমারি, বেতমারি ও বলাইরচর ইউনিয়নের প্রায় ৩০ গ্রামের ঘর-বাড়ি এবং বিস্তীর্ণ ফসলের মাঠ তলিয়ে যায়। এসব গ্রামের আউশ-আমনের বীজতলা, লাউ, শসা, করলা, কাকরোল, চিচিঙ্গা, পটল, কাঁচা মরিচসহ বিভিন্ন সবজির বাগান পানিতে তলিয়ে যায়। এলাকার অনেক কৃষক তাদের সবজির বাগান বাঁচাতে অপরিপক্ক লাউ, ঝিঙ্গা, শসাসহ বিভিন্ন সবজি পানিতে তলিয়ে যাওয়া খেত থেকে তুলে কম দামে বিক্রি করে দিচ্ছেন। অনেক কৃষকের পুরো সবজি খেত নষ্ট হয়ে যাওয়ায় অর্থনৈতিকভাবে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
এছাড়া এলাকার বিভিন্ন রাস্তাঘাট তলিয়ে যাওয়ায় এলাকাবাসীরা ভোগান্তিতে পড়েছেন। আবার অনেকে পানিবন্দি হয়ে দিন কাটাচ্ছেন।
শেরপুর জেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, সদর উপজেলায় এবারের বন্যায় পাঁচটি ইউনিয়নের ১৫ একর বীজতলা, ৪০ হেক্টর আমন বীজতলা, ৬০ হেক্টর সবজিসহ মোট ১২৫ হেক্টর জমির বিভিন্ন ফসল তলিয়ে গেছে।
তবে দুই-তিন দিনের মধ্যে পানি নেমে গেলে ক্ষয়-ক্ষতির পরিমাণ খুব বেশি হবে না বলে জানান সদর উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা পিকন কুমার সাহা।
/এআর/এসএ/








