বিশ্বব্যপী পর্যটকদের ৩৬ শতাংশেরই মূল আকর্ষণ অ্যাডভেঞ্চার ট্যুরিজমে, যার অধিকাংশই তরুণ। তাই পর্যটন শিল্পের দ্রুত বিকাশ ও প্রসারের জন্য তরুণদের মাঝে পর্যটনের আবেদন তৈরি করতে হবে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন।
মঙ্গলবার বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন (বিপিসি) কার্যালয়ে এক চুক্তি সই অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। বিপিসি ও বেস ক্যাম্পের মধ্যে এ চুক্তি সই হয়। বিপিসির পরিচালক (বালিজ্যিক) এবং বেস ক্যাম্পের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তামজিদ সিদ্দিকী স্পন্দন নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে সই করেন।
পর্যটনমন্ত্রী বলেন, তরুণদের পর্যটনের প্রতি আকর্ষণ বাড়াতে অ্যাডভেঞ্চার ট্যুরিজমের প্রতি গুরুত্ব দিতে হবে। এজন্য কক্সবাজারসহ বিভিন্ন পর্যটন স্থানে সারফিং, প্যারাসেলিং, প্যারাগ্রাইডিং, ট্র্যাকিংসহ বিভিন্ন ইভেন্ট সংযোজন করতে হবে।
বিপিসি’র চেয়ারম্যান ড. অপরূপ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. রফিকুজ্জামান।
পর্যটনমন্ত্রী বলেন, বিশ্বব্যপী পর্যটন এখন অন্যতম শিল্পের মর্যাদা পেয়েছে। আমাদের পার্শ্ববর্তী নেপাল, মালদ্বীপসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের রফতানি আয়ের একটি বিরাট অংশ আসে পর্যটন খাত থেকে। এ ক্ষেত্রে আমরা পিছিয়ে আছি। আমদের ট্যুরিস্ট স্পটগুলো ট্যুরিস্ট পণ্য রূপে গড়ে তুলতে হবে। পর্যটনের বিকাশ একটি সম্বন্বিত কার্যক্রম।
রাশেদ খান মেনন বলেন, পর্যটনের ক্ষেত্রে আমাদের নিরন্তর প্রয়াসের স্বীকৃতি আমরা পেতে শুরু করেছি। এই প্রথমবারের মতো জাতিসংঘের পর্যটন বিষয়ক সংগঠন ইউএনডব্লিউটিএ’র ২৯তম সিএপি-সিএসএ সম্মেলন আগামী বছরের ফেব্রুয়ারিতে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে। এর আগে ওআইসি’র পর্যটন বিষয়ক সম্মেলন ২০১৭ সালে ঢাকায় অনুষ্ঠানের সিদ্ধান্ত হয়।
/এসআই/এসএনএইচ/








