ভারতের সরকারি সহায়তার (রেশন) চাল নিয়ে আরও একটি জাহাজ আগামীকাল দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ নৌ বন্দরে এসে নোঙর করবে। এমভি অভি নামে ভারতীয় ওই জাহাজে ৪৬ হাজার ৪শ’ ব্যাগে ২ হাজার ২শ’ ৭২.৪৮৫ টন চাল রয়েছে।
আশুগঞ্জে পৌঁছার পর সড়ক পথে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে এসব চাল ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের রাজধানী আগরতলায় নিয়ে যাওয়া হবে। সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র এসব তথ্য নিশ্চিত করেছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সম্পাদিত চুক্তির আওতায় মানবিক কারণে শুল্ক ছাড়া ৩৫ হাজার টন ভারতীয় খাদ্যশস্য (চাল) বাংলাদেশের ওপর দিয়ে পরিবহনের অনুমোদন লাভ করে। ২০১৪ ও ২০১৫ সালে ২০ হাজার টন চাল একই পন্থায় বাংলাদেশের ওপর দিয়ে ভারতে পৌঁছে। ওই চালের আরেকটি চালান নিয়ে কর্গো জাহাজটি বাংলাদেশের চাঁদপুর এলাকা অতিক্রম করে মেঘনানদী হয়ে আশুগঞ্জের দিকে আসছে।
চাল পরিবহনে বাংলাদেশের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান আনবিস ডেভেলপমেন্ট লিমিটেডের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা মাকসুদুর রহমান জানান, ভারতীয় খাদ্য সহায়তার ২ হাজার ২শ ৭২.৪৮৫ টন চাল নিয়ে গত ১৫ আগস্ট কলকাতা বন্দর থেকে কার্গো জাহাজটি আশুগঞ্জের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। এক সপ্তাহ পর আগামীকাল মঙ্গলবার জহাজটি আশুগঞ্জে এসে পৌঁছাবে। সেখান থেকে সড়ক পথে কাভার্ড ভ্যানে করে আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে এসব চাল ভারতে নিয়ে যাওয়া হবে।
ব্রাহ্মণবাড়িয় আশুগঞ্জ নৌ-বন্দরের পরিদর্শক মো. শাহ আলম জানান, বৈরী আবহাওয়ার কারণে জাহাজটি গতকাল চাঁদপুর নৌবন্দর এলাকায় অবস্থান করে। আজ সোমবার সকালে জাহাজটি আশুগঞ্জের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। আগামীকাল মঙ্গলবার দুপরের মধ্যে এমভি অভি আশুগঞ্জ নৌ-বন্দরে নোঙর করবে। জাহাজ থেকে চাল খালাসে বন্দরে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, এসব চাল পরিবহনে মানবিক কারণে বাংলাদেশ সরকার কোনও শুল্ক নিচ্ছে না।
এর আগে একই পথে চলতি বছরের ১৫ জুন এমভি নিউটেক-৬ নামে একটি কার্গো জাহাজ ১০ হাজার টন রড নিয়ে আশুগঞ্জ নৌ-বন্দরে আসে। পরে সড়ক পথে এসব রড ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের রাজধানী আগরতলায় নিয়ে যাওয়া হয়।
আরও্ পড়ুন: ভাঙন ঠেকাতে ঢাকায় হেফাজতের পূর্ণাঙ্গ কমিটি
/এমএসএম/








