আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও খুলনা মহানগর সভাপতি অ্যাডভোকেট মঞ্জুরুল ইমামের ১৩তম শাহাদাৎ বার্ষিকীপালিত হয়েছে আজ বৃহস্পতিবার। এ উপলক্ষে খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠন নানা কর্মসূচি পালন করে।
কর্মসূচিরঅংশ হিসেবে সকাল ৯ টায় নগরীর লোয়ার যশোররোডের আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের সামনে থেকে শোক র্যালি বের হয়। র্যালিটি বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে নগরীর শামসুর রহমান রোডে নিহতেরবাসভবনে এসে শেষ হয়। সেখানে নিহতদের স্মরণে স্থাপিত অস্থায়ী স্তম্ভে শ্রদ্ধাজানানো হয়।পরেস্মরণ সভার আয়োজন করে খুলনা আওয়ামী লীগ।
এ সময় মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সাবেক মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক এমপি, খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হারুনুর রশীদ ও সাধারণ সম্পাদক এস এম মোস্তফা রশিদী, খুলনা মহানগর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মিজান, সদর থানা আওয়ামী লীগ সভাপতিঅ্যাডভোকেট মো. সাইফুল ইসলাম, আওয়ামীলীগ নেতা গাজী আব্দুল হাদী, কামরুজ্জামান জামাল, আক্তারুজ্জামান বাবু, ফকির মো. সাইফুল ইসলাম, এমডিএ বাবুল রানা, শ্যামল সিংহ রায়, অলোকা নন্দা দাস, জামাল উদ্দিন বাচ্চু, অধ্যক্ষ শহিদুল হক মিন্টু, মো. মুন্সি মাহবুব আলম সোহাগ, মফিদুল ইসলাম টুটুল, রনজিত কুমার ঘোষ, শফিকুর রহমান পলাশ, দেবদুলাল বাড়েই বাপ্পি, শেখ জালাল হোসেন সুজন, এস এম আসাদুজ্জামান রাসেল, চৌধুরী মিনহাজ উজ্জামান সজল, আব্দুল হাই পলাশ, ফেরদৌস হোসেন লাবু, শেখ ফারুক হোসেন, গাজী মোশাররফ হোসেন, ফয়েজুল ইসলাম টিটো প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, ২০০৩ সালের ২৫ আগস্ট সকালে রিক্সাযোগে আদালতে যাওয়ার সময় নিজ বাসভবনের অদূরে আতঁতায়ীর বোমা ও গুলিতে নিহত হন খুলনার এইবর্ষীয়ান নেতা। এ সময় তারসঙ্গে থাকা জুনিয়র আইনজীবী বিজন বিহারী মণ্ডল ও রিক্সাচালক সাইফুল ইসলাম আকনও নিহত হন।
এ ঘটনায় নিহত মঞ্জুরুল ইমামের ছেলে সদর থানায় হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে পৃথক দু’টি মামলা করেন। বিচার শেষে হত্যা মামলায় সব আসামী খালাস পায় এবং বিস্ফোরক মামলায় একজনের সাজা হয়।
/এমএসএম/








