আদালত থেকে জামিনে মুক্ত আসামি গ্রেফতার করে টাকার বিনিময়ে ছেড়ে দিয়েছে পালং মডেল থানা পুলিশ। পরে স্থানীয়দের চাপে টাকাও ফেরত দিতে বাধ্য হয় পুলিশ। এ নিয়ে এলাকায় উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। পালং মডেল থানা অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) এমারৎ জেলা কমিউনিটি পুলিশের সমন্বয়কারী আলমাছ ঢালীর সহায়তায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
স্থানীয় ও আদালত সূত্র জানায়, পালং মডেল থানাধীন শৌলপাড়া গয়ঘর এলাকার ওহাব ঢালী বাদী হয়ে শাহজাহান ঢালীদের বিরুদ্ধে মামলা করে। পালং মডেল থানা জি আর মামলা নং ১৮৭/২০১৫। ওই মামলার আসামি শাহজাহান ঢালী, মোতালেব ঢালী, মিনারা বেগম, লিপি বেগম, কুলসুমা বেগম শরীয়তপুর আমলী আদালত থেকে চলতি বছরের ৭ ফেব্রুয়ারি জামিনে মুক্তি পান। ২৭ আগস্ট শনিবার রাতে আদালতের পেন্ডিং গ্রেফতারি পরোয়ানা নিয়ে পালং থানা পুলিশ উপ-পরিদর্শক (এসআই) উৎপল ও উপ-সহকারী পরিদশর্ক (এএসআই) আকরাম ও মহিলা পুলিশ কনস্টেবল কনা আসামিদের গ্রেফতার করে হাত কড়া পড়ায়। তখন আদালতের রি-কল দেখালে পুলিশ ২ হাজার টাকা উৎকোচের বিনিময়ে আসামিদের ছেড়ে দেয়। বিষয়টি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে গঙ্গানগর বাজারে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা পুলিশদের অবরুদ্ধ করে উৎকোচের টাকা ফেরত নেয়। সংবাদ পেয়ে শরীয়তপুর কমিউনিটি পুলিশের সমন্বয়কারী আলমাছ ঢালী ও পালং মডেল থানা পুলিশ গঙ্গানগর বাজারে গিয়ে অবরুদ্ধ পুলিশদের মুক্ত করে।
স্থানীয় জনগণ জানায়, পালং মডেল থানা পুলিশ সিভিলে এসে জামিনে মুক্ত আসামিদের গ্রেফতার করে। আবার টাকার বিনিময়ে আসামি ছেড়েও দেয়। তাই পুলিশদের অবরুদ্ধ করে ঘুষের টাকা উদ্ধার করা হয়েছ। পরে আলমাছ ঢালী ও ওসি তদন্ত এমারৎ এসে পুলিশদের নিয়ে যায়।
পুলিশের অভিযুক্ত এএসআই আকরাম বলেন, আসামিদের বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট থাকায় তাদের গ্রেফতার করি। রি-কল দেখালে পরে তােদর ছেড়ে দেওয়া হয়। এ নিয়ে গঙ্গানগর বাজারে স্থানীয়দের সঙ্গে ঝামেলা হয়েছে। আলমাছ ঢালী ও থানা থেকে পুলিশ যাওয়ার পর বিষয়টি মীমাংসা হয় ।
পালং মডেল থানা অফিসার ইনচার্জ মো. খলিলুর রহমান বলেন, আমিও এমন একটা খবর পেয়েছি। থানা থেকে পুলিশ গিয়ে ঘটনার সত্যতা পায়নি।
/এমএসএম/








