নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন (নাসিক) নির্বাচনে প্রার্থী হচ্ছেন না বলে জানিয়েছেন জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার। ফলে শেষ পর্যন্ত বিএনপি নির্বাচনে থাকবে কিনা সেটা নিয়েই দলের ভেতরই সংশয় সৃষ্টি হয়েছে। সবদিক বিবেচনায় বিএনপি আদৌ নির্বাচনে থাকবে কিনা আর না থাকলে কে হবেন মেয়র প্রার্থী? সেসব নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হবে সোমবার।
জানা গেছে, ধারাবাহিক বৈঠকের অংশ হিসেবে রবিবার রাতে গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে খালেদা জিয়া, মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে বৈঠক করেন নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার, সহ সভাপতি শাহ আলম, সেক্রেটারি কাজী মনিরুজ্জামান।
বৈঠক শেষে বাংলা ট্রিবিউনকে তৈমূর আলম খন্দকার মুঠোফোনে বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘বর্তমান নির্বাচন কমিশনের প্রতি আমাদের তথা দেশের মানুষের কোনও আস্থা নেই। তাই এ নির্বাচন কমিশনের অধীনে ভোটে আদৌ বিএনপি যাবে কিনা সেটা নিয়েই প্রশ্ন জেগেছে। আর এ নির্বাচনে আমার অংশ নেওয়ার ইচ্ছা নেই। তাছাড়া বিএনপিও নির্বাচন নিয়ে সংশয়ে আছে। সামগ্রিক দিক থেকে ভোটে বিএনপি থাকবে কিনা আর থাকলে কে হবেন প্রার্থী? সে সিদ্ধান্ত সোমবার রাত ৯টায় জানানো হবে।’
রবিবার দুপুরে নয়াপল্টনেও সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে বসেন নারায়ণগঞ্জের নেতারা। এর আগে শনিবার রাতে ঢাকাতে সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে নারায়ণগঞ্জের নেতাদের ও শুক্রবার খোদ চেয়ারপারসনের সঙ্গেও বৈঠক হয়। তবে সব বৈঠকেই তৈমূর নিজের প্রার্থীতার অনীহার কথা তুলে ধরেন।
তবে তৈমূর ছাড়াও যে দুইজনের নাম শোনা যাচ্ছে বিএনপি ভোটে গেলে ওই দুইজনের কেউ একজন প্রার্থী হতে পারেন। ওই দুইজন হলেন নারায়ণগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন খান যিনি ২০১৪ সালের এপ্রিল ৭ খুনের ঘটনার পর বিচার দাবিতে আন্দোলন করতে গিয়ে ব্যাপক আলোচনায় আসেন। অপরজন হলেন নারায়ণগঞ্জ শহর বিএনপির সেক্রেটারি এটিএম কামাল। সরকার বিরোধী আন্দোলন করতে গিয়ে কামাল এখন পর্যন্ত ৪০টির মতো মামলার আসামি হয়ে কারাভোগ করেছেন। তবে এ দুইজন নেতাকেও নিয়ে বিতর্ক আছে। দুইজনই এক সময়ে দলচ্যুত ছিলেন।
/এসএনএইচ/








